logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন: জনমত জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে হিলারি - image

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন: জনমত জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে হিলারি

03 জুন 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে চালানো এক জনমত জরিপে, সম্ভাব্য রিপাবলিকান  প্রার্থী ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে, এগিয়ে গেছেন ডেমক্রেট দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিলারি ক্লিনটন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের চালানো জনমত জরীপে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গত মে মাসে অল্প সময়ের জন্য হিলারিকে পেছনে ফেলে জনমত জরিপে এগিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে হিলারির আক্রমণ শাণিত হওয়ার পরই, জনসমর্থনে এই পরিবর্তন ঘটে গেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এছাড়া ট্রাম্পের নিজ নামে তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক সেনাদের জন্য তোলা অর্থের বিতরণ নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনাও ট্রাম্পকে পিছিয়ে দিয়েছে। জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা হিলারিকে সমর্থন করবেন, অপরদিকে ৩৫ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। দুজনের কাউকেই সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন ১৯ শতাংশ ভোটার। ৩০ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৪২১ জন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জরিপটি করা হয়।

জুন ০৩, ২০১৬
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। - image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

02 অক্টোবর 2020, বিকাল 6:00

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এসময় তাঁর মুখে মাস্ক পরে হেলিকপ্টারে উঠতে দেখা যায়। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা ভালো। তবে অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য তাকে মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বয়স এবং ওজন বেশি হওয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক ঝুঁকি রয়েছে। তবে এক টুইট বার্তায় মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি ভালো আছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২০
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। - image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

03 অক্টোবর 2020, বিকাল 6:00

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় টুইটারে এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেই এ খবর জানান। হাসপাতাল থেকে ধারণ করা এই ভিডিওতে তিনি আরো বলেন, সুস্থ বোধ করলেও সামনের কয়েকদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসময় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে করার ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। এদিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আগামী ৪৮ ঘণ্টা তাঁর জন্য খুব সঙ্কটপূর্ণ। গত শুক্রবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য ওয়শিংটনের কাছেই এক সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

04 অক্টোবর 2020, বিকাল 6:00

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাঠানো এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সুরক্ষায় নেয়া তাঁর বিভিন্ন পদক্ষেপ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশের জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পাশে আছে। প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে অফিসে ফিরে আসবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
উহানে ফের করোনার হানা, লকডাউনে ১০ লাখ মানুষ - image

উহানে ফের করোনার হানা, লকডাউনে ১০ লাখ মানুষ

27 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

চীনের উহানেই প্রথম শনাক্ত হয়েছিল করোনাভাইরাস। এরপর তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর রূপ নেয় মহামারিতে। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই মহামারি এখনও শেষ হয়নি। উপরন্তু বিশ্বের অনেক দেশেই সম্প্রতি বেড়েছে সংক্রমণ। আর এর মধ্যেই সেই উহানেই আবার হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। এরপরই সেখানে লকডাউন আরোপ করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। এতে করে ফের কঠোর বিধিনিষেধের বেড়াজালে আটকে পড়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের উহানের জিয়াংজিয়া জেলায় চারজন করোনা রোগী শনাক্তের পর সেখানকার বাসিন্দাদের তিন দিনের জন্য তাদের বাড়িতে বা আঙিনার ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা শনাক্ত হওয়া ওই চারজনই উপসর্গবিহীন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ‘জিরো কোভিড’ পলিসি অবলম্বন করে আসছে চীন। এই নীতির অধীনে কোনো এলাকায় একজন করোনায় আক্রান্ত হলেও গণভাবে সবার নমুনা পরীক্ষা, কঠোর আইসোলেশন নিয়ম, স্থানীয়ভাবে লকডাউন আরোপসহ বিভিন্ন কৌশল অনুসরণ করে দেশটি। আর এর ফলে বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় চীনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেক কম মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু চীনের এই ‘জিরো কোভিড’ পলিসি ক্রমবর্ধমান বিরোধিতার মুখোমুখি হচ্ছে। কারণ দেশটির মানুষ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বিধিনিষেধের চাপের ক্ষতির মুখে পড়ছে। বিবিসি বলছে, নিয়মিত পরীক্ষায় চীনের উহানে দু’দিন আগে দু’টি উপসর্গবিহীন রোগী শনাক্ত হয়। এরপর কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে আরও দু’জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আর এরপরই এক কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার শহরের একটি অংশে লকডাউন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। প্রথমে বলা হয়েছিল, উহান শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত হুনান সি-ফুড মার্কেট থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম যে ব্যক্তি মারা যান, তার ওই মার্কেটে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ৬১ বছর বয়স্ক ওই ব্যক্তি যখন মারা যান, তখনও এই রোগের নাম নির্দিষ্ট করা হয়নি। চীনের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘অপরিচিত ধরনের নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, চীন থেকে গোটা বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তো একধাপ এগিয়ে গিয়ে কোভিড-১৯ কে ‘‘চীনা ভাইরাস’’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। যদিও, চীন এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির দাবি, করোনাভাইরাসের উত্‍‌স নির্দিষ্ট কোনো একটা জায়গা নয়। একাধিক উত্‍‌স থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য চীনের এই দাবির সঙ্গে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই একমত নয়।

জুলাই ২৭, ২০২২
বাইডেনকে ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ বললেন ট্রাম্প - image

বাইডেনকে ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ বললেন ট্রাম্প

03 সেপ্টেম্বর 2022, বিকাল 6:00

কথার উত্তাপে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে। দিন দুয়েক আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ‘চরমপন্থী’ সমর্থকদের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এমনকি তাদের আমেরিকার ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন তিনি। আর এবার সেই কথার জবাবে জো বাইডেনকে পাল্টা আঘাত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তিনি দেশের শত্রু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। গতকাল শনিবার পেনসিলভানিয়ায় এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। আজ রোববার বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পেনসিলভানিয়ায় এক সমাবেশে নিজের উত্তরসূরি জো বাইডেনকে ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসাবে আখ্যায়িত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে গত মাসে তার ফ্লোরিডার বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযানের নিন্দাও জানান তিনি। ফ্লোরিডায় নিজের বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযানের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বাস্তব হুমকির প্রাণবন্ত উদাহরণ হচ্ছে কয়েক সপ্তাহ আগের এই ঘটনাটি। এ সময় আমরা আমেরিকার ইতিহাসে যেকোনো প্রশাসনের অধীনে ক্ষমতার সবচেয়ে মর্মান্তিক অপব্যবহারের সাক্ষী হয়েছি, এটি আপনারাও দেখেছেন।’ তার দাবি, বাইডেন প্রশাসন ওই অভিযানটি তত্ত্বাবধান করেছে এবং মার্কিন বিচার বিভাগ ও এফবিআই হোয়াইট হাউস থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার যে দীর্ঘস্থায়ী প্রোটোকল রয়েছে এটি তার বিরোধী। উইল্কস-বারে শহরের সমাবেশে উল্লাসরত সমর্থকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আইনের মারাত্মক এই অপব্যবহার ‘ ‘এমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে চলেছে যা কেউ কখনো দেখেনি।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফিলাডেলফিয়ায় এক ভাষণে ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ মতাদর্শকে লালন করা রিপাবলিকানদের ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এ ধরনের মতাদর্শের বিরুদ্ধে সমর্থকদের লড়াই করার আহ্বানও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
হোয়াইট হাউসের ঈদ উদযাপনে ঢুকতে বাধা মুসলিম মেয়রকে - image

হোয়াইট হাউসের ঈদ উদযাপনে ঢুকতে বাধা মুসলিম মেয়রকে

01 মে 2023, বিকাল 6:00

গত সোমবার (১ মে) হোয়াইট হাউজে পবিত্র রমজান মাসের শেষ এবং ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এক জাঁকজমক অনুষ্ঠানের। এতে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অথচ মুসলিমদের উৎসব নিয়ে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানেই ঢুকতে পারলেন না দেশটির এক মুসলিম মেয়র।এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হোয়াইট হাউজে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির প্রসপেক্ট পার্কের মুসলিম মেয়র মোহাম্মদ খায়রুল্লাহকে ফোন করে জানানো হয়, তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস। ফলে তিনি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। সিরীয় বংশোদ্ভূত খায়রুল্লাহ জানান, তাকে কেন হোয়াইট হাউজে ঢোকার অনুমতি দেয়নি, তা জানায়নি সিক্রেট সার্ভিস। অনুষ্ঠানে যোগদানে বাধা পাওয়ার বিষয়টি আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের নিউ জার্সি কাউন্সিলকে জানিয়েছেন মুসলিম এ নেতা। সংগঠনটি এফবিআইয়ের তথাকথিত ‘টেররিস্ট স্ক্রিনিং ডেটা সেট’-এর তথ্য প্রচার বন্ধ করতে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি খায়রুল্লাহকে জানিয়েছে, তার নাম ও জন্মতারিখসহ এক ব্যক্তি এফবিআই’র ওই ডেটা সেটে ছিলেন, যা তাদের অ্যাটর্নিরা ২০১৯ সালে পেয়েছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র অ্যান্থনি গুগলিলমি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খায়রুল্লাহকে হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সে প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে কেন দেয়া হয়নি, সে ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। এদিকে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি হোয়াইট হাউজ ও। নিউ জার্সিতে ফিরে যাওয়ার সময় এক টেলিফোন সাক্ষাত্কারে খায়রুল্লাহ বলেন, “এটি আমাকে বিস্মিত, হতবাক ও হতাশ করেছে।“ ক্ষমতায় থাকতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সীমিত করেছিলেন। তার এই পদক্ষেপের অন্যতম কঠোর সমালোচক ছিলেন মেয়র খায়রুল্লাহ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির প্রসপেক্ট পার্কের মুসলিম মেয়র মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ গত জানুয়ারিতে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হন।

মে ০১, ২০২৩
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা - image

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা

09 মে 2023, বিকাল 6:00

১৯৯০-এর দশকে লেখক ই জিন ক্যারলকে যৌন নিপীড়নের দায়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে আদালত। খবর আল-জাজিরা নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ মে) বিকেলে সাত দিনের দেওয়ানি বিচারের পর রায় পড়ে শোনানো হয়।রায়ে জানানো হয়, ই জিন ক্যারলকে যৌন নিপীড়নের পাশাপাশি পরে তাকে মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত ও অপমান করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ক্যারল যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিএনএন এবং অন্যান্য মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ৯ সদস্যের জুরি মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখক ক্যারলকে ধর্ষণ করেননি। তবে তাকে যৌন নিপীড়ন এবং মানহানির করা হয়েছে। ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং বলেছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। যতদিন পর্যন্ত রায়টি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে, ততদিন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। এদিকে, লিখিত বিবৃতিতে লেখক ক্যারল বলেন, আমার সুনাম ফিরে পেতে এবং আমার জীবন ফিরে পেতে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। বিশ্ব অবশেষে সত্যটি জানতে পেরেছে। এই বিজয় শুধু আমার জন্য নয়, প্রত্যেক নারীর জন্য। অপরদিকে, ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে তার সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে বিবৃতি দিয়ে ফের একই দাবি করে জানিয়েছেন, তিনি ক্যারলকে চেনেন না। তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়কে 'লজ্জাজনক' এবং 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ডাইনি শিকারের ধারাবাহিকতা' হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

মে ০৯, ২০২৩
এরদোয়ান কেন বাইডেনের মাথাব্যথার কারণ? - image

এরদোয়ান কেন বাইডেনের মাথাব্যথার কারণ?

15 মে 2023, বিকাল 6:00

তুরস্কে গত রবিবার অনুষ্ঠিত হয় শত বছরের সবচেয়ে গুরুত্ব নির্বাচন। এতে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী ছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, কামাল কিলিচদারোগলু ও সিনান ওগান। তাদের মধ্যে কোনও প্রার্থীই এককভাবে ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, এরদোয়ান পেয়েছেন ৪৯.৪ শতাংশ ভোট। তার প্রধান কামাল কিলিচদারোগলু পেয়েছেন ৪৩.১২ শতাংশ আর সিনান ওগান পেয়েছেন ৫.২ শতাংশ ভোট। ফলে আগামী ২৮ মে (রাউন্ড অফ) দ্বিতীয় দফা ভোট অনুষ্ঠিত হবে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে। সে হিসেবে পরবর্তী রাউডে ছিটকে পড়েছেন সিনান ওগান। প্রতিযোগিতা হবে এরদোয়ান আর কিলিচদারোগলুর মাঝে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২৮ মে পর্যন্ত। এদিকে, তুরস্কের এই নির্বাচন শুধু তুর্কি জনগণের জন্য নয়, বরং বিশ্বের প্রধান পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর আগেই অভিযোগ উঠেছে, তুরস্কে কিলিচদারোগলু নেতৃত্বাধীন রিরোধী শিবিরকে সমর্থন দিচ্ছে আমেরিকা। সুতরাং তুরস্কের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের জয় বা পরাজয় যুক্তরাষ্ট্র ও এর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মাথাব্যথারও কারণ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার সময় বিশ্বের যে কয়েকজন রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান নিজ দেশের রাজনীতিতে ‘একনায়ক’ হিসেবে চিত্রিত করতে পেরেছেন, এরদোয়ান তাদের একজন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে বড় এক ধাঁধাঁর নাম এরদোয়ান। কেননা, দু্ই দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা এরদোয়ান একাধারে ইউরোপের সবচেয়ে বড় মিত্র ও শত্রু, যুক্তরাষ্ট্রের পর ন্যাটোর সামরিক শক্তির সবচেয়ে বড় স্তম্ভ তুরস্ক তাদের বর্তমান প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নেতৃত্বে বলকান, ভূমধ্যসাগর, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক অনন্য নীতি নিয়ে এগিয়েছে, যা বাইডেন প্রশাসনের নীতিকে বারবারই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।অন্যদিকে, এরদোয়ান যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর অন্যতম নেতা হলেও তিনি এই জোটের মূল শত্রু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সখ্য বজায় রাখছেন। আবার যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পররাষ্ট্র নীতিতে চিহ্নিত সবচেয়ে বড় ‘সংকট’ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও রয়েছে এরদোয়ানোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। শুধু তা-ই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় মিত্র ইসরায়েলের সঙ্গে চাপান-উতোর সম্পর্ক রাখার পাশাপাশি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে চিহ্নিত ইরানের সঙ্গেও এরদোয়ানের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতি বদলানোর বিষয়েও চাপ দিয়ে যাচ্ছেন এরদোয়ান। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র হিসেবে পরিচিত কুর্দিদের উপর সামরিক অভিযান চালাচ্ছেন, আবার প্রতিবেশী আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংকটেও মধ্যস্ততা করছেন, যেখানে মস্কোর প্রভাবও রয়েছে।এসব বিষয় বিবেচনা করলে প্রতীয়মান হয়, এরদোয়ান যেন যুক্তরাষ্ট্রের বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’ এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, জো বাইডেনের যুগ শুরুই হয়েছে দেশ ও দেশের বাইরে একনায়কতন্ত্র, গণতন্ত্রের উপর হামলা এবং উদীয়মান স্বৈরশাসকদের ছায়ায়।তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে হামলা করে পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা, যা যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত।এই পটভূমিতে ক্ষমতা নেওয়ার পর এখন বাইডেন ইউক্রেইনের গণতন্ত্র রক্ষার যুদ্ধে নেমেছেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে। এই যুদ্ধে তার ঘরের শত্রু ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান সমর্থকেরা। যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে  ইউক্রেনকে কোটি কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন, যা নিয়ে এরইমধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন বেশ কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা, যারা ট্রাম্পের সমর্থক। দেশের ভেতরের এমন পটভূমিতে বিদেশে বাইডেনের পররাষ্ট্র নীতি বাস্তয়নে বাধা হয়ে উঠছেন এরদোয়ানের মতো কর্তৃত্বপরায়ণ রাষ্ট্রনেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র ইসরায়েলেও নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার সংবিধান বদলে সেদেশের গণতন্ত্রকে সঙ্কুচিত করার পথ ধরেছে। গণতন্ত্র রক্ষার যে নীতি-অজুহাত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির মূল স্তম্ভ, তা টিকিয়ে রাখতে এরদোয়ানের মতো নেতার পরাজয় যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলেই মতামত তুলে ধরা হয়েছে সিএনএনের বিশ্লেষণে।এরদোয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুই দশকের শাসনামলে তিনি তুরস্কের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো, যেমন বিচারবিভাগ ও গণমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছেন।সিএনএন বলছে, আবারও নির্বাচিত হলে তিনি তুরস্কের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও সংকুচিত করার পাশাপাশি পশ্চিমের নেতৃত্বকে আরও সংকটের মুখেই ফেলবেন। যার অন্যতম উদাহরণ ন্যাটোতে সুইডেনের যোগদানে বাধা দেওয়া।এরআগে তুরস্কবিরোধী কুর্দি নেতাদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে ফিনল্যান্ডের বিষয়ে আপত্তি তুললেও পরে সমঝোতার মাধ্যমে এর সুরাহা হয়, কিন্তু সুইডেনকে ছাড় দেননি এরদোয়ান।তুরস্কের নির্বাচন নিয়ে রবিবার সাংবাদিকরা ডেলাওয়ারে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আমি আশা করি, যিনিই জয়ী হোন, জয়ী হন। বিশ্বের ওই অংশে যথেষ্ট সমস্যা রয়ে গেছে।” বিশ্বজুড়ে বাইডেনের গণতন্ত্র রক্ষার নীতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির ধ্রুপদী সংকটের আরেকটি উদাহরণ হিসেবেই চিহ্নিত হচ্ছে, সংকটটি হল- ‘কী করা উচিৎ যখন কোনও দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে কৌশলগত স্বার্থের সংঘাত হয়।’ স্বার্থ ও নীতির এই দ্বন্দ্ব সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছিল ২০১৮ সালে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে সৌদি আরব দূতাবাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনায়। ওই ঘটনায় সরাসরি সৌদি আরবের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রমাণ মিললেও যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে কড়া বক্তব্য দিলেও ক্ষমতা নেওয়ার পর জো বাইডেনও চুপ হয়ে যান; বরং রিয়াদ সফরে সালমানের সঙ্গে ‘ফিস্ট বাম্প’ করে নিজের সমর্থকের মুখে অনেকটাই কালি দেন তিনি। ওয়াশিংটনের একই ধরনের ‘নীতি সংকট’ দেখা যাচ্ছে থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও। গত কয়েক বছর ধরে সামরিক জান্তার শাসনাধীন থাইল্যান্ডেও রবিবার ভোট হয়েছে। ভোটে উদারপন্থি, গণতন্ত্রমনা দলগুলো জয়ী হতে যাচ্ছে বলে ধারণা পাওয়া গেছে, যারা সেদেশে আবারও পূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের অঙ্গীকার করেছে।বাইডেনের প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী এই দলগুলোর প্রতি ওয়াশিংটনের জোর সমর্থন জানানোর কথা থাকলেও হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখানো হচ্ছে না।থাইল্যান্ডে সামরিক জান্তার সমর্থনপুষ্ট ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী এই নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থিদের এই বিজয়কে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্রের উপর চাপ বাড়বে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার। কিন্তু ওয়াশিংটন হয়তো তা করতে চাইবে না, কারণ এই মুহূর্তে থাইল্যান্ডের জেনারেলদের ক্ষেপিয়ে দিতে বাইডেনের প্রশাসনের আগ্রহ কম। থাইল্যান্ড বিগড়ে গিয়ে যদি চীনের শিবিরে হেলে পড়ে, তাহলে বিশ্বের ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনীতিক স্বার্থ হুমকিতে পড়বে।প্রতিবেদনে সিএনএন উপসংহার টেনেছে, এ ধরনের যোগ-বিয়োগের রাজনীতিতে গণতন্ত্রকে সমর্থন জানান হয়তো সবসময় বাস্তবসম্মত হয় না, যা আমেরিকার ‘ডিএনএ’তেই রয়েছে। আর ভূরাজনীতির এই সমীকরণই বলে দিচ্ছে যে কেন যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির পক্ষে এরদোয়ানের মতো আঞ্চলিক নেতাদের প্রভাব অস্বীকার করা অসম্ভব।

মে ১৫, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo