logo
youtube logotwitter logofacebook logo

অঙ্গন

ইতালীয় ৬ ছবিতে বাংলাদেশী নায়ক - image

ইতালীয় ৬ ছবিতে বাংলাদেশী নায়ক

05 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

ইতালীয় ৬ ছবিতে নায়ক হিসাবে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সিলেটের ছেলে কবিতা শাহ । ইতালিতে পড়াশুনা করার জন্য পাড়ি জমিয়ে প্রথমে মডেল হিসাবে এর পরে সিনেমাতে কাজ করা শুরু করেন।তার পাশাপাশি ব্যবসাও করেন এই অভিনেতা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র নিয়ে দেশের বাহিরে থেকেও সপ্ন দেখেন কিভাবে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গন উন্নয়ন করা যায়, হলিউড, বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সারা বিশ্বের মানুষ দেখবে এমনটাই পরিকল্পনা করছেন। ১৯৮৩ সালের ৫ জানুয়ারী সিলেটের সুনামগজ্ঞে তার জন্ম। বর্তমানে তিনি ইতালিতে প্রযোজনা , পরিচালনা কাজের সঙ্গে মূল নায়কের চরিত্রেও কাজ করছেন। ভবিষৎ পরিকল্পনা একটাই ফিল্ম নিয়ে কাজ করা। সপ্ন একটাই কিভাবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র উন্নয়ন করা যায়। ইতালীয় ৬ ছবিতে নায়ক হিসাবে অভিনয় করেছেন সেগুলোর নামঃ Dio, Tiamo, Paese italia, Facile eroe, Poberu, এবং Erolina. ১৯৯০ সাল থেকে দেশের বাহিরে থাকলেও বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের প্রতি রয়েছে তার গভীর ভালোবাসা, অবসর সময় পার করেন বাংলা সিনেমা দেখে। ইতালি প্রবাসী এ নায়ক ইতালি বাসায় ইতিমধ্যে কয়েকটা চলচ্চিত্রে প্রধান নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ডদের জীবন কাহিনী নিয়ে একটা সিনেমায় প্রধান নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে ইতালিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তার ছবি ডিও এর সম্পর্কে বলেন, ‘ এটির এখনো কাজ চলছে তবে কাজ শেষ করে আরো এক মাস পরে মুক্তি পাবে । দেশের এক সময়ের আলোচিত সুপারহিট নায়িকা মুনমুনকে নিয়ে তিনি বলেন, মুনমুন আসার আগেই আমার সাথে তার সুসম্পর্ক ছিলো, সে আমার বন্ধু ছিলো, হাতে গোনা কিছু পরিচালক বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা সৃষ্টি করে ভালোমানের একজন চিত্র নায়িকা মুনমুনকে চলচ্চিত্র থেকে ছিটকে ফেলে দিয়েছে। তার প্রিয় নায়ক সালমান শাহ ভাই,ইমরান হাশমি ভারতী । তাছাড়া বাংলাদেশের সকল নায়ক নায়িকার সিনেমা ভালো লাগে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সুপার স্টার নায়ক সালমান শাহকে নিয়ে কবিতা শাহ বলেন, দেশের চলচ্চিত্রে অন্যতম নায়ক ছিলেন সালমান শাহ, তাকে পছন্দ করে না এমন মানুষ মনে হয় না বাংলাদেশে আছে। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে তাকে যেন সারা জীবন মানুষ মনে রাখতে পারে তার জন্য বিএফডিসি কর্তৃপক্ষের কাছে আহব্বান করব। সেই সঙ্গে সালমান শাহ নিজেই আত্মহত্যা করেছে নাকি কোনো কুচক্রি মহল হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তার সঠিক তদন্ত সরকার করবে বলে আশা রাখেন তিনি।    

নভেম্বর ০৫, ২০১৫
৪র্থ বর্ষে ‘কমেডি আওয়ার’ - image

৪র্থ বর্ষে ‘কমেডি আওয়ার’

24 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘এবি টেলিকম কমেডি আওয়ার’ তিন বছর পার করে ৪র্থ বর্ষে গড়িয়েছে। আগামীকাল ২৫ ফেব্র“য়ারি, বৃহষ্পতিবার রাত ১১টায় প্রচারিত হবে এর ৭৫তম পর্ব। ২০১২ সালের নভেম্বরে শুরু হয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়ে আসছে। সাঈদ তারেকের পরিকল্পনা গ্রন্থনা ও পরিচালনায় বর্তমানে কমেডি আওয়ার উপস্থাপনা করছেন দেবাশীষ বিশ্বাস। কমেডি আওয়ার একটি হাসির অনুষ্ঠান। ‘বেশী বেশী হাসুন ভালভাবে বাঁচুন’- এই শ্লোগান নিয়ে বিভিন্ন হাস্য রসাত্মক বিষয়বস্তু পরিবেশনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে মানুষকে হাসতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এতে প্রচারিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কৌতুক নকশা, হাসির নাট্যাংশ, চুটকি, রম্যগীতি, রম্য গীতিনকশা, মিমিক্রি, কমেডি বা প্যারোডি গান, বিদেশী ভাষার গানের সাথে নাচ, ফানিয়েস্ট হোম ভিডিও, বিদেশী ছায়াছবির গানের ক্লিপিং, দেশ বিদেশের বরেন্য শিল্পীদের অভিনয় ক্লিপিং, ফানি ম্যাজিক, বিশ্বের সেরা হাসির ছবি এবং শো থেকে ক্লিপিংসহ নানা আয়োজন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে আসেন অনেক গুনী ব্যক্তিত্ব। এরা বলেন তাদের জীবনের মজার ঘটনা বা ষ্মৃতিকথা। কমেডি আওয়ারের মঞ্চে অভিনয়শিল্প বা সংষ্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গনে আজীবন অবদানের জন্য এটিএন বাংলার পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুনী এবং প্রবীন ব্যক্তিত্বদেরকে লাইফটাইম এচিভমেন্ট অনার ক্রেস্ট প্রদান করা হয়ে থাকে। অনুষ্ঠানটির ৭৫তম পর্বটি উপস্থাপনা করেছেন দেবাশীষ বিশ্বাস এবং অভিনেত্রী প্রিয়া আমান। বিভিন্ন হাসির নাট্যাংশে অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, পরেশ আচার্যি, আশরাফ কবির, এস এম হায়দার আলী, ম ফারুক, আবুল কালাম আজাদ, মনা সিদ্দিক হৃদয়, নাসরিন আক্তার লিপি, বিটলু শামিম, লিটন খন্দকার, অর্চনা, আব্দুস সোবহান, আর জে আকাশ প্রমুখ। প্যারোডি গানের সাথে নাচ পরিবেশন করেছেন জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী হারুন কিসিঞ্জার এবং চাঁদনী। নিয়মিত আয়োজন চুটকি বলার আসর, ফানি ভিডিও ছাড়াও এতে ভিন্নধর্মী একটি গানের সাথে দলীয় নাচ পরিবেশন করেছেন সাইফুল ইসলাম স্বর্ণ এবং তার সহশিল্পীরা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬
সোমবার সোনারগাঁয়ে  দিতির দাফন হবে - image

সোমবার সোনারগাঁয়ে দিতির দাফন হবে

20 মার্চ 2016, বিকাল 6:00

প্রয়াত চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতির প্রথম নামাজে জানাজা হবে রোববার বাদ এশা। রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে এ জানাজা হবে। রাতে মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমঘরে রাখার পর সোমবার সকালে ও বাদ জোহর আর দু’টি জানাজা হবে। রোববার সন্ধ্যায় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সোমবার দু’টি জানাজা শেষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্রামের বাড়িতে বাবার কবরের পাশে তাকে চিরসমাহিত করা হবে। সুবর্ণা মুস্তাফা জানান, সোমবার ভোরে দিতির মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানে মরহুমার নিজের বাড়িতে। সেখানে সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ‍গ্রামের বাড়িতে। বাদ জোহর তৃতীয় ও শেষ জানাজার পর শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী দিতিকে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে চিরসমাহিত করা হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়, দিতির মৃত্যুর পর তাকে গোসল করিয়ে এখন হিমঘরে রাখা হয়েছে। রোববার বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে ইউনাইটেড হাসপাতালে মস্তিষ্কের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দিতি। দিতি বেশ কিছুদিন ধরে কোমায় ছিলেন। তার মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তিনি এক কন্যা (লামিয়া চৌধুরী) ও এক পুত্র দীপ্ত এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মার্চ ২০, ২০১৬
ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্ট গ্র্যান্ড ফিনালে - image

ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্ট গ্র্যান্ড ফিনালে

06 এপ্রিল 2016, বিকাল 6:00

প্রচার- ০৭ এপ্রিল ২০১৬, দুপুর ১২.৪৫ মিনিট উপস্থাপনা- দেবাশীষ বিশ্বাস ও আমব্রিন, পরিচালনা- মুকাদ্দেম বাবু। বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনয় শিল্পী প্রতিভা অন্নেষণের প্রতিযোগিতা মুলক অনুষ্ঠান ‘ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্ট’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে পর্ব আজ (০৭ এপ্রিল) দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে প্রচার হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। নির্বাচিত ৩৫ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে ২০ মার্চ রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হলে অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, ড্যানিশ ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজ আল মাহমুদ দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন অঙ্গনের সেলিব্রেটিরা। জমকালো গ্র্যান্ডফিনালে সাজানো হয় দেশের খ্যতনামা শিল্পীদের পারফর্মেন্স আর নানা আয়োজনে। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন চিত্রনায়িকা নিপুণ, পপি, বর্ষা, কণ্ঠশিল্পী সালমা, কণা, রবি চৌধুরী, দিঠি আনোয়ার এবং চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্টের এবারের বিজয়ীরা হলেন নায়ক ক্যাটাগরিতে শাহেদ, সাব্বির। নায়িকা ক্যাটাগরিতে সারা, মাহিন। খলনায়ক ক্যাটাগরিতে রাসেল, রিয়াজ, নিক্সন, মিল্টন। কমেডি ক্যাটাগরিতে ডাঃ প্রিন্স, এ্যানি। শিশু ক্যাটাগরিতে এষা, রুশদী। বাবা-মা ক্যাটাগরিতে এস ইসলাম, ইউসুফ আলী, তৃপ্তি, উম্মে সালমা। সহশিল্পী ক্যাটাগরিতে অং মারমা, নাশা, লাকি, মাসুদ রানা, মেহেদি, নিরব এবং আরমান। তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ, অনন্ত জলিল ও বর্ষা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। দেবাশীষ বিশ্বাস এবং আমব্রিন এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেন মুকাদ্দেম বাবু। ‘ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্ট’ গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচার হবে আজ (০২ এপ্রিল) রাত ১০টার সংবাদের পর।

এপ্রিল ০৬, ২০১৬
রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ইভা রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মনে কী দ্বিধা’ - image

রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ইভা রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মনে কী দ্বিধা’

07 মে 2017, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এটিএন বাংলা দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। বিশেষ এই আয়োজনে ৮ মে, রাত ৮টায় প্রচার হবে শিল্পী ইভা রহমানের পরিবেশনায় রবীন্দ্র সঙ্গীতের একক অনুষ্ঠান ‘মনে কী দ্বিধা’। মূলত ইভা রহমানের রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্রথম ও দ্বিতীয় একক অ্যালবামের গানগুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। চমৎকার লোকেশনে শিল্পীর রবীন্দ্র সঙ্গীতের একক অ্যালবামের গানগুলির চিত্রায়ণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বাঙালির ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীলতা দিয়ে বিশ্ব অঙ্গনে যিনি এনেছিলেন বিরল সম্মান-সেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জš§বার্ষিকী উপলক্ষে এটিএন মিউজিকের ব্যানার থেকে পর পর দু’বছর ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় সঙ্গীত শিল্পী ইভা রহমানের গাওয়া রবীন্দ্র সঙ্গীতের দু’টি একক অ্যালবাম। অ্যালবাম দু’টি হলো ‘মনে কী দ্বিধা’ এবং ‘মনে রবে কিনা রবে আমারে’। দু’টি অ্যালবামের গানুগোলের সঙ্গীত আয়োজন করেন ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক শিবাজী চট্টোপাধ্যায়। শিল্পীর কন্ঠে রবীন্দ্র সঙ্গীতগুলি যেন এক ভিন্ন মাত্রা নিয়ে এসেছিল। সুরেলা কণ্ঠ আর গায়কী মিলিয়ে তিনি ঠাই করে নিয়েছিলেন শ্রোতাদের হৃদয়ে। সেই ভালোবাসার অনুপ্রেরণায় রবীন্দ্র জন্ম-জয়ন্তীতে প্রচারিত হবে ‘মনে কী দ্বিধা’ এবং ‘মনে রবে কিনা রবে আমারে’ অ্যালবামের বাছাই করা গান নিয়ে বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মনে কি দ্বিধা’। সঙ্গীত প্রেমী দর্শকদের জন্য ‘মনে কী দ্বিধা’ অনুষ্ঠানটি রীবন্দ্র জয়ন্তীর অন্যতম সেরা আয়োজন হিসেবে প্রাধান্য পাবে।

মে ০৭, ২০১৭
মুসলিম কালেকশন বাবিসাস এ্যাওয়ার্ড ২০১৬ - image

মুসলিম কালেকশন বাবিসাস এ্যাওয়ার্ড ২০১৬

17 মে 2017, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার বিনোদন সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতি (বাবিসাস)-এর বর্ণাঢ্য পথচলার ১৬তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গত ০৫ মে ২০১৭ইং (শুক্রবার) বিকাল ৫টায় কেআইবি ইনস্টিটিউট মিলনায়তন, ফার্মগেট, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় মুসলিম কালেকশন-‘বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড ২০১৬’। নান্দনিকতার স্ব-স্ব অঙ্গনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, সঙ্গীত, মঞ্চ, নৃত্য, বিজ্ঞাপনচিত্রসহ বিভিন্ন বিভাগে গুণী ও তারকাশিল্পী-কলাকুশলীদের মধ্যে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এ্যাড. নূরজাহান বেগম মুক্তা, এমপি, এটিএন বাংলার সম্মানিত চেয়ারম্যান ড. মাহ্ফুজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ড. আবদুল মান্নান ভূঁইয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও চলচ্চিত্র পরিচালক বিপ্লব শরীফ। বক্তব্য রাখেন বাবিসাস সাধারণ সম্পাদক মো. মুসলিম ঢালী, অনুষ্ঠানের আহবায়ক রিমন মাহফুজ, সহ সভাপতি রশিদ নিউটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবিসাস সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদার। শফিউল আলম বাবু ও ফেরদৌস আরা বন্যার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও শিল্পীরা উপস্থিত থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন- চলচ্চিত্রাভিনেত্রী আনোয়ারা, চলচ্চিত্রাভিনেতা ইলিয়াস জাবেদ। বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন- চিত্রনায়িকা নূতন, অঞ্জনা, রোজিনা, সুচরিতা, তারকা দম্পতি ম. হামিদ-ফাল্গুনি হামিদ, সায়মন তারিক- জেসমিন আক্তার নদী। স্ব-স্ব অঙ্গনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলচ্চিত্র বিভাগ থেকে অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন- প্রযোজক আব্দুল আজিজ (জাজ মাল্টিমিডিয়া), প্রযোজক কামাল আহমেদ, পরিচালক জি সরকার, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, কাজী মারুফ, অভিনেত্রী পরীমনি, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেত্রা আমিন খান, ফজলুর রহমান বাবু, সিদ্দিক, অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ, অহনা, মারিয়া মীম, শিশুশিল্পী অর্পা, উপস্থাপক শফিউল আলম বাবু, উপস্থাপিকা ফেরদৌস আরা বন্যা ও শারমিন মিশু। সঙ্গীত বিভাগ থেকে অ্যাওয়ার্ড পান কুমার বিশ্বজিৎ, বেলাল খান, কোনাল, সালমা, সাময়া জাহান, মারিয়া শিমু, ফকির শাহাবুদ্দিন, আঁখি আলমগীর, ইভা রহমান, সাবরিন, শাহনাজ বাবু, বিউটি, সুমী শবনম, কাজী শুভ, আনিসা তালুকদার, হীরা নওশার ও এস আই টুটুল। নৃত্য বিভাগ থেকে অ্যাওয়ার্ড পান ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, চাঁদনী, চয়ন, ফ্লাই ফারুক, সরোয়ার শাকিল, শাহনাজ, ইমু হাশমি, তৌফিক অপু, র‌্যাম্প মডেল অবনী। জুরি সম্মাননা লাভ করেন- বিউটি রহমান, বাউল মিলন সরকার প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা ‘মুসলিম কালেকশন বাবিসাস এ্যাওয়ার্ড ২০১৬’ ধারণ করে আজ (১৮ মে) বিকাল ৫টা ১৫মিনিটে প্রচার করবে। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেন আবদুস সাত্তার।

মে ১৭, ২০১৭
বিশ্বকাপের ট্রফি দেখে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী - image

বিশ্বকাপের ট্রফি দেখে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

22 জুন 2022, বিকাল 6:00

কাতার বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী ট্রফি ভ্রমণের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে এসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বুধবার (৮ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ ভবনের লবিতে ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি’ বরণ উপলক্ষে আগত প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের খেলাধুলায় বিশেষ করে ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ওপর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন তার পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ভাইয়েরা, সন্তানরা এমনকি নাতি-নাতনিরাও অত্যন্ত ক্রীড়ামোদী এবং ক্রীড়াবিদ ছিলেন। বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফির আগমনে ফিফা, কোকাকোলা এবং বাফুফে কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন ফিফা ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণের ফলে দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম উৎসাহিত হবে। তিনি বলেন, ‘ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’ সবশেষে ফিফা এবং কোকাকোলার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সিনিয়র সচিব) খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম,  যুব ও ক্রীড়া সাচিব মেজবাহ উদ্দিন, বাফুফে সভাপতি কাজী মোহাম্মদ. সালাউদ্দীন, বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ সহ ফিফা, কোকাকোলা এবং বাফুফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কাতার বিশ্বকাপ সামনে রেখে গত ১২ মে দুবাই থেকে কোকাকোলার আয়োজনে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্বভ্রমণ শুরু হয়। ৫৬টি দেশ ঘোরার পথে ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক কোকাকোলার উদ্যোগে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসেছে ট্রফিটি। প্রায় ৯ বছর পর ফের ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি এলো বাংলাদেশে। এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দু’দিনের জন্য বাংলাদেশে এসেছিল বিশ্বকাপ ট্রফি। তাই এ ট্রফি নিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে ফুটবলপ্রেমীদের। বুধবার (৮ জুন) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় ট্রফিটি। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে প্রদর্শন করতে বঙ্গভবনে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রফিটি। এ সময় ট্রফির সাথে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একটি প্রতিনিধি দল। বঙ্গভবনে ট্রফি প্রদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, রাষ্ট্রপতির ছেলে রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান লালি কারেম্বু ও কোকা-কোলা কোম্পানির ভারত ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সভাপতি শংকেট রায়। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি সচিব, ক্রীড়া সচিব ও উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রপতি এসময় বাংলাদেশে ট্রফি নিয়ে আসায় ফিফাসহ সংশ্লিষ্ট স কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। এরকম উদ্যোগের ফলে ফলে খেলোয়াড়, সংগঠক ও সমর্থকরা ফুটবলের প্রতি আরো বেশি উৎসাহিত হবে এবং বাংলাদেশের ফুটবল আগামীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা সফর শেষে বৃহস্পতিবার  দিবাগত  রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিশ্বকাপ ট্রফি উড়াল দেবে পরবর্তী গন্তব্য পূর্ব তিমুরের উদ্দেশে। মঙ্গলবার (৭ জুন) পর্যন্ত ট্রফিটি ছিল পাকিস্তানে। ফিফার ৭ সদস্য (৮ জুন) রয়েছেন ট্রফির সাথে। এর মধ্যে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স দলের মিড ফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান কারেম্বুও রয়েছেন। অতিথিদের বরণ করতে বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) অর্থাৎ দ্বিতীয় দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ট্রফিটি রাখা হবে হোটেল রেডিসনে। এ সময় ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন বাফুফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা। পরে বিকেলে ট্রফি নিয়ে যাওয়া হবে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। সেখানে ট্রফি প্রদর্শনের সঙ্গে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। অবশ্য ক্যাম্পেইন থেকে টিকিট সংগ্রহ করা কোকাকোলার গ্রাহকরা বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দুপুর আড়াইটার মধ্যে র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে গিয়েও বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলতে পারবেন। কনসার্ট শেষে রাতে ট্রফি আবার নিয়ে যাওয়া হবে র‍্যাডিসনে।

জুন ২২, ২০২২
স্বামী হিসেবে রবিনকে কেন পছন্দ, জানালেন পূর্ণিমা - image

স্বামী হিসেবে রবিনকে কেন পছন্দ, জানালেন পূর্ণিমা

23 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

প্রায় ২ মাস আগে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। তবে পারিবারিক বিভিন্ন কারণে বিষয়টি এতদিন প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। বর্তমানে রাজধানীর একটি অভিজাত এলাকায় স্বামী আশফাকুর রহমান রবিনের সঙ্গে এক ছাদের নিচে বসবাস করছেন এ অভিনেত্রী। চার বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পরেই রবিনকে বিয়ে করেছেন পূর্ণিমা। স্বামী হিসেবে কেন আশফাকুর রহমান রবিনকেই পছন্দ হলো তার? এ প্রশ্নের জবাবে নতুন স্বামীকে প্রশংসা ভাসালেন পূর্ণিমা। ‘মনের মাঝে তুমি’ খ্যাত নায়িকা বলেন, ‘ছেলেটা আসলেই খুব ভালো। ভালো একজন মানুষ। যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে সবক্ষেত্রে বিশ্বাস করা যায়। আমরা কাজের ক্ষেত্রে কাজই করেছি। আবার বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সেটা সেভাবে বজায় রেখেছি।’ শুধু রবিনই নয়; নতুন স্বামীর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও পছন্দ হয়েছে বলে জানালেন পূর্ণিমা। তিনি বলেন, ‘রবিনদের পরিবারটা খুবই রক্ষণশীল। আমিও সব জায়গায় গিয়ে ঘুরে বেড়ানো, রেস্তোরাঁয় খাওয়া এরকম টাইপের মানুষ না। ভালো লাগা, বোঝাপড়া থেকে মনে হয়েছে ঠিক আছে। সেখান থেকে দুজনেরই যখন মনে হয়েছে জীবনসঙ্গী হিসেবে, পার্টনার হিসেবে আমাদের এগোনো উচিত, তখনই পরিবারকে জানাই।’ তবে অভিনেত্রী হওয়ায় রবিনের পরিবার তাকে মেনে নিবে কিনা সেই দুশ্চিন্তাও ছিল পূর্ণিমার। তিনি জানালেন,  ‘আমার একটা ব্র্যাকগ্রাউন্ড আছে। আর তাদের রক্ষণশীল পরিবার। সবকিছু মিলিয়ে সবাই আমাকে তারা গ্রহণ করবে কিনা; এ নিয়ে একটা চিন্তা তো ছিলই। কিন্তু তার পরিবার খুব সুন্দরভাবে বিষয়টিকে গ্রহণ করেছে।’ কীভাবে রবিনের সঙ্গে পরিচয় সে কথাও জানালেন পূর্ণিমা। বর্তমানে দেশের বহুজাতিক একটি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন তিনি। তবে পরিচয়কালীন রবিন অন্য একটি চাকরি করতেন বলে জানালেন পূর্ণিমা।  সেই চাকরিসূত্রেই নাকি রবিনের সঙ্গে তার পরিচয়। পূর্ণিমা বলেন, ‘তখন সে (রবিন) অন্য একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করতো। ওই কোম্পানির পক্ষ থেকে অনেক ইভেন্ট হতো। ইভেন্টে নিজের অধীনে থাকা ব্র্যান্ডগুলো দেখতো রবিন। সংগীতশিল্পী, ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন অঙ্গনের তারকাদের নিয়ে ছিল তাদের কাজ। আমিও টানা একসঙ্গে অনেকগুলো কাজ করি। ওখান থেকেই আমাদের কথাবার্তা শুরু হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব ছিল। পরে দুজনেই চিন্তা করে দেখলাম, একসঙ্গে সংসার করতে পারি। পরিবারকে জানাতেই তারা আমাদের মতামত গুরুত্ব দেন। বন্ধুত্ব, বিশ্বাস আর শ্রদ্ধাবোধ সবই পেয়েছি রবিনের মধ্যে। সেখান থেকেই মূলত সম্পর্ক মজবুত হয়। ’ বিয়ের সিদ্ধান্তটাও হুট করে নেওয়া বলে জানালেন পূর্ণিমা।  এ তারকা বলেন, ‘সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে হুট করেই। রোজার ঈদের পর। পরিবারকে যখনই জানানো হয়েছে ওনারা বলেছেন, ‘তাহলে আর দেরি করো না। এক দুই সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করে ফেল।’ কোনো ধরনের কোনো প্রস্তুতিও ছিল না। হুট করেই আমরা বিয়েটা করেছি।’

জুলাই ২৩, ২০২২
বরিশালের সাবেক মেয়র কামাল আর নেই - image

বরিশালের সাবেক মেয়র কামাল আর নেই

30 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামাল আর নেই। শনিবার (৩১ জুলাই) রাত ১২টায় রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে কামরুল আহসান রূপম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। বিগত ১৪ দিন ধরে ইনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পরে ২৯ জুলাই বাসায় নিয়ে আসা হয়। শনিবার রাতে তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ রোববার দুপুর ২টায় বরিশাল জিলা স্কুল মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মুসলিম গোরস্থানে তাকে চীর নিদ্রায় শায়িত করা হবে বলে জানিয়েছেন ছেলে রূপম। এদিকে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পুত্র ও কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাতেই রাতেই মরহুম আহসান হাবিব কামাল এর মৃতদেহ নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওয়ানা হন পরিবারের সদস্যরা। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে পরিবার এবং বিএনপি’র রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ সাদী জানান, আহসান হাবিব কামাল বরিশাল পৌরসভার আমলে সর্বপ্রথম ১০ নম্বর বরিশাল ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিশনার ছিলেন। পরবর্তী ১৯৯১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল পৌর সভার প্রশাসক ও নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি পৌর চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। এরপর ২০০২ সালের ২৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ২০০৩ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত নবগঠিত সিটি কর্পোরেশনের মনোনীত মেয়র ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় পরিষদের মেয়র নির্বাচিত হন। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত নগর পিতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আহসান হাবিব কামাল। জাবের আবদুল্লাহ সাদী জানান, রাজনৈতিক জীবনে আহসান হাবিব কামাল ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি একজন সক্রিয় নেতা। তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এর আগে প্রথমে বরিশাল মহানগর এবং পরে জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদোত্যাগ করে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে আর নতুন করে রাজনৈতিক দলের পদ-পদবিতে আসতে পারেননি তিনি।

জুলাই ৩০, ২০২২
খল অভিনেতা মুকুল তালুকদার আর নেই - image

খল অভিনেতা মুকুল তালুকদার আর নেই

19 নভেম্বর 2022, বিকাল 6:00

চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা শহীদ উল্লাহ তালুকদার মুকুল ওরফে মুকুল তালুকদার  আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (২০ নভেম্বর) ভোরে তিনি শেরপুরের নালিতাবাড়ী শহরের মধ্যবাজারস্থ নিজ বাস ভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো রোববার ভোরে প্রাতভ্রমণ শেষে বাসায় ফিরেন মুকুল। এ সময় তার বাসায় কোনো লোকজন ছিল না। এর কিছুক্ষণ পর বাসার এক ভাড়াটিয়া মুকুল তালুকদারকে ফ্লোরে অচেতন অবস্থা পরে থাকতে দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন। 'খায়রুন সুন্দরী' সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখেন মুকুল তালুকদার। এরপর প্রায় ২০টি ছবিতে খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এছাড়াও তিনি উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নে টানা দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুকুল তালুকদার ঝিনাইগাতি আদর্শ ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতাও করেছেন। এক সময়ের এই ফুটবল তারকা এলাকায় নানা অঙ্গনে সম্পৃক্ত ছিলেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২২
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo