
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অনাকঙ্ক্ষিত যৌথ হামলার পর থেকে একের পর এক হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। আর তাতে দখলদার দেশগুলো কেবল ইরানেরই নয় বরং ক্ষতি করেছে গোটা বিশ্বের। কারণ তাদের হামলার জবাবেই পাল্টা হামলা হয়েছে সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে এমনকি কাতারের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রেও। এছাড়াও যে হরমুজ প্রণালি দিয়েই বেশিরভাগ তেল গ্যাস সরবরাহ করা হতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, সেটিই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের কারণে এখন কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। আর তাতে হু হু করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।
যুদ্ধের কারণে অস্থির সারা বিশ্বের তেলের বাজার আর বাংলাদেশও এ সংকটের বাইরে নয়। হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজ ইরান না আটকালেও এ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিকভাবেই
তবে এবার এক দুঃসংবাদ দিলো বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। যে কোনো সময় দেশের সব পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে এবার আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ উল্লেখ করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, যে সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা বেশ করুণ। যার কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা।
একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরতরা। সব মিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যে কোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি উল্লেখযোগ্য মজুদ রেখে কয়েক দিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে পাম্পগুলো।
এছাড়াও ঠাকুরগায়ে গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে পেট্রোল পাম্প খুলিয়ে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করে সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা প্রকাশ করে সংগঠনটি।