
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
অতিথিদের সবচেয়ে বড় জুটি গড়ে উঠে চিগুম্বুরা ও সিকান্দার রাজার মধ্যে। তাদের ৭৩ রানের জুটি জয়ের পথে নিয়ে আসে জিম্বাবুয়েকে। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে ১৫১ রানের মাথায় সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙ্গেন আল আমিন।
১৫৬ রানের মাথায় আবারও আল আমিনের আঘাতে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন চিগুম্বুরা। সাথে সাথে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে। আউট হওয়ার আগে চিগুম্বুরা করেন ৪৭ রান। ১৭৫ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটান অনিয়মিত বোলার নাসির হোসাইন।
৪৩ তম ওভারে দারুণ এক কাটারে লুক জাংয়েকে বোল্ড আউট করেন তরুণ মুস্তাফিজ।
একই ওভারে মুস্তাফিজের বলে বিভ্রান্ত হয়ে টাইগার দলপতির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পানিয়াঙ্গারা।
প্রথম ওয়ানডের মত আবারও জিম্বাবুয়ের ইনিংসে শেষ পেরেকটি মারেন নাসির। ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে এসে বোল্ড হন গ্রায়েম ক্রিমার। ১৮৩ রানেই জিম্বাবুয়ের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে চিগুম্বুরা সর্বোচ্চ ৪৭, সিকান্দার রাজা ৩৩ এবং আরভিন ২৬ রান করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন, নাসির ২টি, মুস্তাফিজ ৩টি, মাশরাফি এবং সানি ১টি করে উইকেট দখল করেন।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩২ আর ব্যক্তিগত ১৯ রানে তামিম ইকবালের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর লিটন দাস ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি।
তবে চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ৪৮ রান যোগ করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ইমরুল কায়েস। মুশফিক ২১ রানে ফিরে গেলেও ইমরুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের একাদশ অর্ধশত রান। তিনি আউট হন ৭৬ রানে।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে নাসির হোসেন ও সাব্বির রুম্মন ৪২ রান যোগ করে দলকে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু সাব্বির ৩৩ ও নাসির হোসেন ৪১ রানে বিদায় নিলে বড় স্কোর গড়া হয়নি টাইগারদের।
শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৪১ রান করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পানিয়াঙ্গারা নেন ৩ উইকেট।
ম্যাচ শেষে বেস্ট বাংলাদেশী পারফর্মারের পুরস্কার জেতেন আল আমিন।ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন সৌম্য সরকারের পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া ইমরুল কায়েস। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটিও একই মাঠে বৃহস্পতিবার দিবারাত্রিতে শুরু হবে।