
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্মদিন ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেওয়ানবাগীর দল ওলামা মিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে সোমবার বিকেলে মতিঝিলের এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক দেশবরেণ্য আলেম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর কুদরত এ খোদা রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি এবং উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, মুসলিম জাতির ধারনা
আগে বাংলাদেশে সিরাতুন্নবি পালিত হতো উল্লেখ করে প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করা শুরু করেছে।
ইমাম কুদরত এ খোদা তাঁর আলোচনায় হযরত রাসুল (সা)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসাকে আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষের অন্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হলে পরিবার, সমাজ কিংবা বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
তিনি আলেম-ওলামা ও আশেকে রাসুলদের প্রতি মহানবি (সা.)-এর প্রেম, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা তথা মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলেম-ওলামা, আশেকে রাসুল ও ইসলামী চিন্তাবিদরা হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, ঈদে মিলাদুন্নবির তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সুফিবাদ এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে মহানবি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরিফ পাঠ করা হয়। আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্বমানবতার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
/টি