
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে দ্রুত সম্মানজনক প্রস্থানের পথ না পেলে এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। অতীতে ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের নেয়া সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি সংকটে ফেলেছিল। ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সংঘাতকে নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে না দিলেও ইতোমধ্যে তিনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্পের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।
ঝুঁকির প্রথমটি হলো বড় কোনো সাফল্য না পেয়েও টানা বিমান হামলা ও সমুদ্রসীমার উত্তেজনা জিইয়ে রাখা। দ্বিতীয়টি হলো সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে গিয়ে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা কিংবা স্থল বাহিনী পাঠানো, যা অভূতপূর্ব রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে। আর
বিশ্লেষকদের মতে, এর প্রতিটি পথই সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে সমান ঝুঁকিপূর্ণ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যে সেন্টকম নতুন সামরিক কৌশলের সন্ধান করছে, অন্যদিকে হোয়াইট হাউস থেকেও ইরানকে দেয়া হচ্ছে কড়া হুঁশিয়ারি। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মাত্রা বাড়লে মার্কিন মিত্রদের তেলের স্থাপনা ও অবকাঠামোর ওপর পাল্টা আঘাত আসতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘরের মাঠে রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার তলানিতে থাকা ট্রাম্পের জন্য এই সংঘাত এখন তার সম্পূর্ণ নিজস্ব চ্যালেঞ্জ বলা যায়। অতীতের ইতিহাস এড়াতে গিয়ে তিনি কি নতুন কোনো ইতিহাসে আটকে পড়বেন, নাকি মর্যাদা রক্ষা করে এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসবেন—সেই দিকেই এখন চোখ পুরো বিশ্বের।