
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে বিচারের মুখোমুখি করতে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি দিল্লি বিমানবন্দরে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, তার ওইদিন ভারতে থাকার কথা ছিল, কিন্তু ঘটনাক্রমে তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে নয়, সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে যা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানানো প্রয়োজন বলে মনে হওয়ায় তিনি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে প্রবেশ করে নির্ধারিত
তিনি বলেন, সরকারের নীতি হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। সেই নীতির ভিত্তিতেই অন্যান্য দেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের আত্মসম্মান বা আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে কোনো দেশকে সুবিধা দেওয়ার নীতি সরকার অনুসরণ করবে না। তবে তিনি মনে করেন, দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কোনো চাপ সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তার মতে, এ ঘটনা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বা সহযোগিতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ পরিবর্তন করা যায় না এবং এ বাস্তবতা ভারতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের অবস্থানকে সম্মান করবে। তিনি জানান, তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট এখনো জমা নেওয়া হয়নি এবং এ ঘটনার সঙ্গে পাসপোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। বিমানবন্দরে তার প্রতি প্রয়োজনীয় সৌজন্যের অভাব ছিল বলেই তিনি মনে করেন। ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যাবেন এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করার পক্ষে কাজ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে কোনোভাবেই ‘বিকিয়ে’ দিয়ে বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করবে না।