
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে এবং বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে প্রাধান্য পাওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির বাধা দূর হওয়ার পথে রয়েছে। ন্যূনতম খরচ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন করে জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সম্মত হয়েছে। এই উদ্যোগকে শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে দেশটিতে পুনরায় জনশক্তি রপ্তানির পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সফরকালে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শ্রমখাত নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন
যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া শ্রম অভিবাসনে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত কাঠামোর মাধ্যমে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে। উভয় পক্ষ মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী শ্রমবাজার দ্রুত চালু করা, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করা, মধ্যস্থতাকারী কমানো এবং অভিবাসন ব্যয় হ্রাস করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এছাড়া আটকে পড়া কর্মীদের দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
বৈঠকে মালয়েশিয়া একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানায়, যার লক্ষ্য মধ্যস্থতাকারী কমানো, খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা এবং ‘নিয়োগকর্তাই পরিশোধ করবেন’ নীতি বাস্তবায়ন করা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পূর্ণ সমর্থন জানায়। পাশাপাশি মানব পাচার-সংক্রান্ত আইনি বিষয়, অনিয়মিত কর্মীদের সমস্যা সমাধান, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে শ্রমবাজারকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। গঠনমূলক এই বৈঠকের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখার সম্মতি জানিয়ে বৈঠক শেষ হয় এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়া সরকারের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।