
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গেল ৫ই আগস্টের পর ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে কিছুটা ফাটল দেখা দেয়। অন্তরবর্তী সরকার ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার থেকে বাংলাদেশ ভারত সীমন্তে বেশ কিছু ঘটনার স্বাক্ষী হয় বাংলাদেশের মানুষ। তবে এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাংলাদেশের সীমান্তের ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে আসাম রাজ্যের ধুবড়ি শহরে একটি সেনাঘাঁটি করছে ভারত সরকার। ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগ স্থাপনকারী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ করিডরের কাছেই এই সেনাঘাঁটি তৈরি করছে মোদি সরকার।
নতুন এই সেনাঘাটি ভারতের পূর্বাঞ্চলে দেশটির সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করার ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে ধরা হয়েছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ভারতের সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয়
নতুন করে বাংলাদেশ সীমান্তের এত কাছে ভারতের সেনাঘাটি স্থাপনের রহস্যটি কি? তবে তারা চিকেন নেককে শক্তভাবে নিজেদের আয়াত্তে রাখার জন্যই নতুন এই সেনাঘাটি স্থাপন করছেন? ভারতের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম রাওয়াত বলেছেন, স্টেশনটি স্থাপন ভারতীয় সেনাদের আঞ্চলিক অপারেশনাল সক্ষমতা এবং অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।
দ্য আসাম ট্রিবিউনের তথ্যমতে, বিলাসীপাড়া রেভিনিউ সার্কেলের সপ্তগ্রামে নির্মিত স্টেশনটি ১৯৬ বিঘা জমির ওপর স্থাপন করছে মোদি সরকার। এই স্টেশনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট ‘প্যারা এসএফ ইউনিট’সহ প্রায় ১ হাজার ৫০০ সেনাসদস্য থাকবেন বলে জানা গেছে।
আসামে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তের সবচেয়ে কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সামরিক স্টেশনটি ছিলো ৮০ কিলোমিটার দুরে শিলচরের মাসিমপুরে। সেই তুলনায় নির্মিত লাচিত বোরফুকান মিলিটারি স্টেশন বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে বেশ কাছাকাছি স্থাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে চলমান ‘রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় ‘অতি স্বল্প সময়ে’ আরও একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আ/ই