
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দক্ষিণী তারকা অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু তার নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ দিয়ে তেলেগু সিনেমায় নতুন ইতিহাস গড়েছেন। ‘ও অন্তাভা’ গানের গ্ল্যামারাস ইমেজের বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক নির্ভীক চরিত্রে বড় পর্দায় হাজির হয়ে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত এই নারীপ্রধান ফ্যামিলি অ্যাকশন ড্রামা মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ জুন মুক্তির পর থেকে বিশ্বজুড়ে সিনেমাটি ৮৩ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। শুধু ভারতেই এর নেট সংগ্রহ ৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে সামান্থার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ত্রালালা মুভিং পিকচার্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি সিনেমার বাণিজ্যিক
এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে তেলেগু নারীপ্রধান সিনেমার ১৭ বছরের পুরোনো একটি রেকর্ড ভেঙেছেন সামান্থা। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আনুশকা শেট্টি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’ বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭০ কোটি রুপি আয় করে দীর্ঘদিন ধরে নারীপ্রধান তেলেগু সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছিল। পরবর্তীতে ‘মহানতি’ ও ‘রুদ্রমাদেবী’ উল্লেখযোগ্য ব্যবসা করলেও সেসব সিনেমায় একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতার উপস্থিতি ছিল। তবে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর সাফল্য মূলত সামান্থার একক তারকাখ্যাতির ওপরই দাঁড়িয়ে।
তবে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সামগ্রিক বাজারে নারীপ্রধান চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড এখনো মালয়ালম সিনেমা ‘লোকা: চ্যাপ্টার ১–চন্দ্র’-এর দখলে রয়েছে। দুলকার সালমান প্রযোজিত এবং কল্যাণী প্রিয়দর্শন অভিনীত সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৩০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। তবুও তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর সাফল্যকে সামান্থা রুথ প্রভুর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন এবং নারীপ্রধান চলচ্চিত্রের জন্য নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।