logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ভারি বর্ষণ

ভারতে বন্যা-ভূমিধসে ৩৩ জনের মৃত্যু - image

ভারতে বন্যা-ভূমিধসে ৩৩ জনের মৃত্যু

20 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বন্যা ও ভূমিধসে মারা গেছেন ৩৩ জন। তাদের মধ্যে হিমাচল প্রদেশে একই পরিবারের ৮ জনসহ অন্তত ২২ জন মারা গেছে। রবিবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হিমাচল, ঝাড়খণ্ড, উড়িষ্যা ও উত্তরাখণ্ডে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে ভূমিধস আর বন্যায় হিমাচল প্রদেশে আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। মান্দিতে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৬ জন। তারাও হয়ত বেঁচে নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি কমিশনার অরিন্দম চৌধুরী। উত্তরাখণ্ডে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। রাজ্যটির বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। ফলে বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অনেককে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উড়িষ্যায় আগেই বানের পানি ঢুকে পড়ে। ভারি বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে যেখানে বন্যার কবলে পড়েছে অন্তত রাজ্যটির ৫০০ গ্রামের প্রায় সাড়ে লাখ বাসিন্দা। রাজ্য সরকার ময়ুরভাঞ্জ, কেন্দ্রপারা, বালাসোরসহ একাধিক জেলায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি অসংখ্য গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। ওয়েস্ট সিংবাম জেলায় এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রামগড় জেলায় নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে আরও দুইজনের।

আগস্ট ২০, ২০২২
দেশের সব বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস - image

দেশের সব বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস

19 জুন 2023, বিকাল 6:00

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (২০ জুন) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ ছাড়া পরবর্তী তিন দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। রাজশাহীতে সোমবার (১৯ জুন) দেশের সর্বোচ্চ ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নীলফামারীরর সৈয়দপুরে ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় মঙ্গলবার দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৬ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, যা দমকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। এদিন সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬ টা ৪৯ মিনিটে। অন্যদিকে আগামীকাল বুধবার (২১ জুন) সূর্যোদয় হবে ভোর ৫ টা ১১ মিনিটে।

জুন ১৯, ২০২৩
যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল - image

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল

15 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে করে জেলার ভূঞাপুর, গোপালপুর, টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে ধীরে ধীরে পানি প্রবেশ করছে। রোববার (১৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে এই দৃশ্য দেখা যায়। ইতোমধ্যে আমন মৌসুমে ধানের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাসহ যমুনা চরাঞ্চলবাসীর নানাবিধ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে রোববার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে ঝিনাই নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এ ছাড়াও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ী পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। আর মাত্র ৩৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি হলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর পানি মির্জাপুর পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার, ফটিকজানী নদীর পানি নলচাপা পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলোও দু’একদিনের মধ্যে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হবে। জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের কালিপুর যমুনা নদী চরাঞ্চলের বাসিন্দা আব্দুল আলীম ও সালাম মিয়া বলেন, যমুনা নদীতে প্রতিদিনই ব্যাপকহারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি লালন-পালনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এখন যেভাবে পানি বাড়ছে, এভাবে বাড়লে কয়েকদিনের মধ্যে পানি ঘরে প্রবেশ করবে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলে রোপণ করা বিভিন্ন শাক-সবজি তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া নতুন পানির আগমে পোকা-মাকড়ের উৎপাত বেড়ে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী উপ-সহকারী প্রকৌশলী নূরুল আমিন বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনায় ৩৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। আরও বেশ কিছুদিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। পাশাপাশি ভাঙন কবলিত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

জুলাই ১৫, ২০২৩
রাতেই আসতে পারে মহাবিপৎসংকেত: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী - image

রাতেই আসতে পারে মহাবিপৎসংকেত: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

24 মে 2024, বিকাল 6:00

সাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ ক্রমেই উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। গভীর নিম্নচাপটি যেকোনো সময় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শনিবার রাত থেকেই মহাবিপৎসংকেত দেখানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।শনিবার (২৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বাস্তবায়ন বোর্ডের জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস, ভারতের আবহাওয়া অফিস, চীনের আবহাওয়া অফিস, জাপানের আবহাওয়া অফিস এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিষ্কার বুঝতে পারছি ঘূর্ণিঝড়টি আসন্ন। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি। মহিববুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত রয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংকেত ৩-এ চলে যাবে। সন্ধ্যা নাগাদ বা রাতে ৪-এর ওপরে এবং রাতের বেলা বিপদের পর্যায়ে চলে যেতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে আমরা ঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাত আটটায় আবার এই মন্ত্রণালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল ১১টায় আমরা আন্তমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছি। এক কথায় এ ঘূর্ণিঝড় আসন্ন, সেটা মাথায় রেখে আমরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আমাদের কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছি। ঘূর্ণিঝড়ে কয়টি জেলা আক্রান্ত হতে পারে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত পুরো এলাকাটি ইফেক্ট হওয়ার ঝুঁকি আছে। এখন ৫০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে এটি অবস্থান করছে। বিশেষ করে পায়রা ও মোংলা বন্দরের সরাসরি দক্ষিণে। সিডরের মতো ভয়াবহ রূপ নেবে কি না, জানতে চাইলে দুর্যোগ তিনি বলেন, এটা ডেঞ্জার হতে পারে রাত ১২-১টা নাগাদ। এটা ১০ নম্বর মহাবিপদে চলে যেতে পারে, এ রকম একটা ঝুঁকি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কাল রোববার ভোর থেকে এটা প্রাথমিক আঘাত হানতে পারে। আর সন্ধ্যা নাগাদ মূলটা আঘাত হানবে। পূর্বাভাসে আমরা এ রকমই বুঝতে পারছি এবং আজকে রাত ১২টা-১টা থেকেই এটা ডেঞ্জার পয়েন্টে চলে যেতে পারে। এদিকে ঢাকা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঘূর্ণিঝড়টি অতিপ্রবল হয়ে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও হতে পারে অতি ভারী বর্ষণ। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রোববার (২৬ মে) সন্ধ্যায় ‘রেমাল’ নাম নিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। ওই সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। গভীর নিম্নচাপটি উপকূলের দিকে আরও এগিয়ে এসেছে। সকালের তুলনায় প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার এগিয়ে এসে দুপুরে উপকূল থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাগরের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

মে ২৪, ২০২৪
টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি - image

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

08 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে মুহুরী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্লাবিত হচ্ছে। শত শত গ্রামে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখো মানুষ। পানির তোড়ে ভেসে গেছে ফসলী জমি, মাছের ঘের, গবাদিপশু হাস-মুরগীর খামার। সকালে ফেনী শহরের জলবদ্ধতার কিছুটা উন্নতি হলেও ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১৪টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পানি বইছে বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। এতে পানিবন্দী অন্তত ২০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা জেলায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘন্টায় ২০৮ মিলি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহওয়া অফিস। এতে ডুবে গেছে এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে জেলায় ১ দিনে পানি বেড়েছে ১৭ সেন্টিমিটার। তবে পনি এখনো বিপদসীমার ১ সেন্টি মিটার নিচে রয়েছে। ৫ দিনের টানা বর্ষণে উপকূলীয় জেলা ভোলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপকূলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন শত শত পরিবার। বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গেছে লঞ্চঘাট। এদিকে নি¤œচাপের কারণে নদী উত্তাল থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভোলা থেকে বরিশাল, লক্ষীপুর, মনপুরা, আলেকজেন্ডারসহ সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এদিকে, ভারি বর্ষণের কারণে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসের শংকা দেখা দিয়েছে। বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয়দের সতর্ক করার জন্য করা হচ্ছে মাইকিং। সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে বসতঘর, ভেসে গেছে ফসলের ক্ষেত ও মৎস্যঘের। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। এতে চরম বিপাকে বানভাসী মানুষ। সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আগামী ২ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৫
সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, বাড়বে গরম - image

সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, বাড়বে গরম

18 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশের বেশ কিছু এলাকায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ। তার আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। সার্বিকভাবে, সারা দেশের দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এতে করে দিনের সময় গরম অনুভূত হতে পারে, যদিও রাতের আবহাওয়া থাকবে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। /টিএ

জুলাই ১৮, ২০২৫
আবারও ৩ বিভাগে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ের আভাস - image

আবারও ৩ বিভাগে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ের আভাস

20 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

গেল ২ দুইদিন রাজধানীসহ বেশ কিছুস্থানে ভ্যাপসা গরম পড়লেও ভারি বৃষ্টির দেখা মেলেনি। তবে আবারও দেশের সব বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি ৩ বিভাগে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর-পশ্চিম রাজস্থান ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করা নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তবে আগামী বৃহস্পতিবারের (২৪ জুলাই) উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া সংস্থাটি জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বাড়তি অংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের এ প্রবণতা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা আবহাওয়া অফিসের। এমআর/এটিএন বাংলা

জুলাই ২০, ২০২৫
টানা ৫ দিন বৃষ্টির আভাস - image

টানা ৫ দিন বৃষ্টির আভাস

25 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

বঙ্গোপসাগরে  সৃষ্ট নিম্নচাপটি  পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ইতোমধ্যে দেশের ১০টি জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগেও দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির প্রবণতা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।  দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে রোববার  থেকে মঙ্গলবার  পর্যন্ত সারাদেশেই দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা জনজীবনকে ব্যাহত করতে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বুধবার পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তিত হলেও উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেটের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা থাকবে। ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কিছু কিছু জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে। এই সময় দেশের তাপমাত্রা প্রায় একইরকম থাকবে, তবে বৃষ্টির কারণে আর্দ্রতা ও ভ্যাপসা গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। এছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন এই বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে কৃষিকাজ, নদীযাত্রা, ও নির্মাণকাজে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেই সাথে জনসাধারণকে এই সময় আবহাওয়া পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলাচল ও কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। /টিএ

জুলাই ২৫, ২০২৫
ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস - image

ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

10 মে 2026, বিকাল 4:46

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।    বার্তায় বলা হয়েছে, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে, আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের সব বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে সারা দেশে কমতে পারে তাপমাত্রা। সংস্থাটি বলছে, সোমবারের (১১ মে) মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এতে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা দেশের সব বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পরের ২৪ ঘণ্টা ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং এর পরের ২৪ ঘণ্টা রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, এর পর থেকে ফের দেশের সব বিভাগে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়ে সংস্থাটি বলছে, এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। /টিএ

মে ১০, ২০২৬
দেশের ৩ বিভাগে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস - image

দেশের ৩ বিভাগে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

11 মে 2026, বিকাল 5:06

রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অংশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়াও অতি ভারি বর্ষণে সিলেট অঞ্চলে জলাবদ্ধতা হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে। আজ সোমবার (১১ মে) আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, আগামী ১৩ মে থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম দিকে রংপুর বিভাগে বৃষ্টির প্রভাব বেশি থাকলেও পরদিন থেকে তা কমে এসে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। ১৫ মে শুক্রবার পরেও সিলেট ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে নতুন তথ্য জানানো হবে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘ভারি’ বৃষ্টি বলা হয়। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘অতি ভারি’ বর্ষণ বলা হয়। এদিন আবহাওয়া অধিদফতরের ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্র মেঘ তৈরি হতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে ১৩ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই অতি ভারি বর্ষণের কারণে সিলেট বিভাগের নিচু এলাকায় অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রথম দিন সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার (১২ মে) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।  বুধবার (১৩ মে) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।/টিএ

মে ১১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo