logo
youtube logotwitter logofacebook logo

গরু

চার জেলায় বজ্রপাতে নিহত আট - image

চার জেলায় বজ্রপাতে নিহত আট

29 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: চার জেলায় বজ্রপাতে মারা গেছে ৮ জন । সোমবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাস গ্রামের বিলে মাছের খামার দেখতে যান স্থানীয় মাছ চাষি সুকন্দ দাস, সুধন দাস এবং নিরদ দাস। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে  তারা বিলের একটি টং ঘরে আশ্রয় নেন। টং ঘরে বজ্রপাত হলে মারা যান এই ৩ মাছ চাষি। অপরদিকে,  শ্রীপুরের বৈরাগীর চালা এলাকায়, মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ইন্নছ আলী নামে এক ব্যক্তি মারা যান। এদিকে, টঙ্গাইল জেলার বাসাইলের কাউলজানী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিজয় মিছিলে বজ্রপাতে রবিউল ইসলাম (৩০) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫ জন। অন্যদিকে, ঝিনাইদহের মহেশপুরে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বাড়ির পাশে খেলা করছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র প্রশান্ত হালদার। এসময় ঝড়ো বাতাসের সাথে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। একই এলাকায়, একই সময়ে উঠানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হয় রায়না বেগম। এছাড়া কিশোরগঞ্জে নিহত হয়েছে আরও এক জন।

মে ২৯, ২০১৬
কালীগঞ্জে বজ্রপাতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু - image

কালীগঞ্জে বজ্রপাতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

28 জুলাই 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে নিতাই চন্দ্র(১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৮জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে আকাশে মেঘ দেখে তার নিজ বাড়ি পার্শে¦ মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত কলেজ ছাত্র নিতাই চন্দ্র কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণকিশোর গ্রামের নরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। সে স্থানীয় চাপারহাট টেকনিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকাশ মেঘলা দেখে বাড়ির পার্শে¦র মাঠ থেকে গরু আনতে যায়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনা স্থলে নিতাই ও তার গুরুটি মারা যায়। কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন আরজু এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জুলাই ২৮, ২০১৬
ঈদুল আজহা উপলক্ষে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ - image

ঈদুল আজহা উপলক্ষে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ

04 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

এ বছর ঢাকাতে প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৪৭ থেকে ৫২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। আর খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ জুন) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সভা শেষে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, গত বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

জুলাই ০৪, ২০২২
কোরবানির ঈদে আফতাব নগরে গরুর হাট না বসাতে রিট - image

কোরবানির ঈদে আফতাব নগরে গরুর হাট না বসাতে রিট

14 মে 2023, বিকাল 6:00

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে রাজধানীর আফতাব নগরে গরুর হাট না বসানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।সোমবার (১৫ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান ভূমি অফিসার, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, ইস্টার্ন হাউজিং ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে বিবাদী করা হয়েছে। গত ২ মে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (স্থানীয় সরকার বিভাগ) পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ সাহে আলম সই করা সম্পত্তি বিভাগ ইজারা/বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দরপত্র ঘোষণা করেন। দরপত্রে ঈদুল আজহার দিনসহ ৫ (পাঁচ) দিন গরুর হাটের কথা উল্লেখ করা হয়। এতে প্রথম পর্যায়ে দরপত্র বিক্রি ১৫ মে, আর ১৬ মে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। এভাবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে দরপত্র বিক্রির পর ১৯ জুন পর্যন্ত দরপত্রের বাক্স ও খাম খোলার পর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সর্বোচ্চ দরদাতাকে সিডিউল দেওয়া হবে। রাজধানীর বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং আফতাব নগরে ব্লক-বি হতে এইচ পযর্ন্ত খালী জায়গায়, যাহা বাড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের অংশ। আফতাব নগরসহ উত্তর সিটি কর্পোরেশন সাত স্থানে কোরবানির গরু বিক্রির জন্যে বাজারের ইজারা আহ্বান করেছেন। এর আগে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে বাসিন্দাদের পক্ষে শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, জহিরুল ইসলাম সিটিতে (আফতাব নগর) বসবাসরত লোকজন পবিত্র কোরবানির ঈদের আগে ও পরে প্রায় এক মাস অস্থায়ী হাট স্থাপনের কারণে ব্যাপকভাবে মানবেতর জীবন যাপন করেন। চলাচলের প্রধান সড়কের ওপর অস্থায়ী গরু-ছাগলের হাট বসে বলে (আফতাব নগর) এখানে বসবাসরত নাগরিকদের যাতায়াতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই সময় কোনো লোক অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ঢোকানো সম্ভব হয় না। কোনো লোক মারা গেলেও তাহার মরদেহ বহন করা দূরূহ হয়ে পড়ে। এছাড়াও গরু-ছাগলের হাট বসানোর কারণে আবাসিক এলাকায় বসবাসের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। গরু-ছাগলের নানাবিধ বর্জ্যে এলাকাটির পরিবেশ ব্যাপকভাবে দূষিত হয়। এছাড়া প্রধান সড়কটিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে সারা বছরেই প্রধান সড়কটিতে খানাখন্দ থাকায় আফতাব নগরে বসবাসরত সব নাগরিকদের যাতায়াতে ব্যাপক অসুবিধা পোহাতে হয়। এ কারণে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রীকে কোরবানির গরু উপহার দিলেন কৃষক - image

প্রধানমন্ত্রীকে কোরবানির গরু উপহার দিলেন কৃষক

09 জুন 2023, বিকাল 6:00

কোরবানির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার হিসেবে দিতে একটি গরু লালনপালন করেছেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাউনা গ্রামের কৃষক বুলবুল আহমেদ ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহান। তাদের এই ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানিয়ে উপহারের এই গরু গ্রহণে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুন কিশোরগঞ্জের বুলবুল আহমেদের গরু লালনপালনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী উপহারের গরু গ্রহণে সম্মতি দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়েছেন। তিনি এই বিরল ভালোবাসার জন্য বুলবুল আহমেদ ও তার স্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। হাসান জাহিদ তুষার জানান, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা এই গরু বুলবুল আহমেদের নিজ বাড়িতেই থাকবে এবং সেখানেই কোরবানি হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোরবানির গরুর মাংস স্থানীয় দরিদ্র-অসহায় জনগণের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।বুলবুল আহমেদের গরু ক্রস ব্রাহমা প্রজাতির। এই গরুতে আনুমানিক ৮০০ কেজি মাংস হতে পারে বলে জানিয়েছেন বুলবুল আহমেদ। বুলবুল বলেন, ২০২০ সালে নেত্রকোনা জেলা থেকে আড়াই লাখ টাকায় প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি এই গরু কেনেন। গরু কেনার পর কিশোরগঞ্জ জেলার বিখ্যাত পাগলা মসজিদে ৫০০০ টাকা মানতও করছিলেন তিনি, যেন তার গরুটি সুস্থ থাকে। এই কৃষক জানান, তিনি ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত তার স্ত্রী ইসরাত জাহান আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে ও নিজের জমানো টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই গরু ক্রয় করেন। তারা গত তিন বছর গরুটির নিবিড় পরিচর্যা করেন। বুলবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা থেকে তারা এই গরু ক্রয় ও লালন-পালন করেন। উপহার হিসেবে তার গরু গ্রহণ করার সম্মতি প্রদান করায় বুলবুল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বুলবুল আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

জুন ০৯, ২০২৩
চাহিদার চেয়ে ২১ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত - image

চাহিদার চেয়ে ২১ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত

13 জুন 2023, বিকাল 6:00

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য চাহিদার চেয়ে ২১ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, কোরবানি জন্য আমাদের চাহিদা ১ কোটি ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি পশু। আর প্রস্তুত রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩টি পশু। সেই হিসেবে ২১ লাখেরও বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। ‌এবার কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ৪৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২টি গরু ও মহিষ, ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং দুই হাজার ৫৮১টি অন্যান্য প্রজাতির গবাদিপশু রয়েছে বলে জানান শ ম রেজাউল করিম। তিনি আরও জানান, গত বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি। এরমধ্যে কোরবানি হয়েছে ৯৯ লাখ ২১ হাজার ৯৪১টি। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এবার কোনোভাবেই দেশের বাইরে থেকে পশু আসবে না। কারণ দেশে প্রয়োজনের চেয়ে যথেষ্ট পশু উৎপাদন হয়। তাছাড়া এতে অবৈধভাবে দেশের বাহিরে টাকা চলে যায় এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি থাকার পাশাপাশি খামারিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শ ম রেজাউল করিম বলেন, আগের মতো এবারও ট্রেনে গরু পরিবহন করা হবে। এতে পরিবহন আরও সহজলভ্য হবে। এ ছাড়া হাটের ইজারা যারা নেবেন, তারা হাটের বাইরে পশু বিক্রি হলে চাঁদা নিতে পারবে না। এমনটি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অনলাইনে পশু বিক্রির নামে প্রতারণা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুন ১৩, ২০২৩
গত ঈদের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং: আইজিপি - image

গত ঈদের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং: আইজিপি

23 জুন 2023, বিকাল 6:00

গত ঈদের (ঈদুল ফিতর) তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পরিস্থিতি পরিদর্শন এবং যাত্রীদের মাঝে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং, এটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। গতবার ছিল মহাসড়কে শুধু যাত্রীসাধারণকে গন্তব্যে পার করা। এবার একদিকে যাত্রীরা গন্তব্যে যাবেন, অন্যদিকে পশুবাহী ট্রাক, পশুবাহী নৌকা যাতায়াত করবে রাস্তাঘাট ও নদীতে। এর সঙ্গে ফলবাহী যানবাহন আসবে, এগুলোকে আটকানো যাবে না। সবকিছু বিবেচনায় রেখে, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, সরকার এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।’ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘ঈদযাত্রা নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সভা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, সড়কমন্ত্রীর দপ্তরে, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার এবং প্রত্যেকটি জেলায় সকল স্টেক হোল্ডার, মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা সবাই একসঙ্গে, একযোগে কাজ করছি। আশা করছি এবারও সকলের সহযোগিতায় যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’ আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘গতবারের ঈদের যাতায়াতব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর ছিল। ওই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে আমাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। প্রকৌশলী ও রাস্তাঘাটের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে, জেলায় জেলায় জেলা প্রশাসকগণ বৈঠক করেছেন। পুলিশের মহানগর, জেলা পুলিশ, পুলিশের সকল বিভাগ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করছি। নির্ধারিত সময়ে সাধারণ মানুষ যেন গন্তব্যে যেতে পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে একসঙ্গে কাজ করছে। আমরা আশা করছি, এবারের ঈদযাত্রায় মানুষ গতবারের চেয়েও স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।’ পুলিশ মহাপরিদর্শক আরও বলেন, ‘আগে রাস্তাঘাটে খানাখন্দ ভরা ছিল, দুরবস্থা ছিল। আগের চেয়ে রাস্তার অবস্থা অনেক ভালো হয়েছে। সরকার অনেক উন্নয়নকাজ করেছে। এখনো কার্যক্রম চলমান আছে। যার কারণে জনসাধারণ দ্রুততম সময়ে স্বাভাবিক সময়ের মতোই ঈদের সময় রাখার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় পর্যায়ের কর্মকর্তারা সব সময় নিয়োজিত থাকবে।’ গরুর হাটের নিরাপত্তার বিষয়ে আইজিপি বলেন, ‘গরুর হাটগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে। গরুর হাটে টানাহেঁচড়া, চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। এবার যদি কেউ কোনো ট্রাক বা নৌকা তাদের গন্তব্যের আগে থামায়। তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলতে চাই, এই কাজগুলো করবেন না। যদি করেন তাহলে, আইনের যে প্রয়োগ করা দরকার সেটাই করব। ব্যবসায়ী ও ইজারাদার, গরুর মালিক আপনাদের কোনো সমস্যা হলে নিকটস্থ পুলিশের সহায়তা নেবেন। যদি কাছাকাছি কাউকে না পান, তাহলে ৯৯৯ ফোন দিন। আপনারা আমাদের সহায়তা দিন, আমরা আপনাদের নিশ্চয়তা দেব।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাল টাকার বিস্তাররোধ এবং অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা বন্ধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘প্রতিটি মার্কেটে জাল টাকা শনাক্তকরণে যে মেশিন, সেই মেশিন আমাদের কাছে থাকবে। কারও সহযোগিতা প্রয়োজন হলে, আমরা সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। জাল টাকার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। টাকা পরিবহনে সমস্যা হলে সেখানেও পুলিশ সহায়তা করবে।’ এ সময় হাইওয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন, গাজীপুর পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম, অতিরিক্ত আইজিপি (হাইওয়ে) মো. শাহাবুদ্দিন খান, ডিআইজি (অপারেশন) হায়দার আলী খান, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব রহমান, পুলিশের হেডকোয়ার্টার এআইজি (মিডিয়া) মো. মঞ্জুর রহমান প্রমুখ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জুন ২৩, ২০২৩
প্রতি বর্গফুট চামড়ার সর্বোচ্চ দাম ঢাকায় ৫৫, বাইরে ৪৮ - image

প্রতি বর্গফুট চামড়ার সর্বোচ্চ দাম ঢাকায় ৫৫, বাইরে ৪৮

24 জুন 2023, বিকাল 6:00

এবার ঈদুল আজহায় গত বছরের চেয়ে চামড়ার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ টাকা। ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। গত বছর এই দাম ছিল ৪৭ থেকে ৫২ টাকা। রোববার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সভায় এই দাম নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি নতুন নির্ধারিত দাম ঘোষণা করেন। ঢাকার বাইরে গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৪ টাকা।ঢাকায় প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা, বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে বকরি ও খাসির চামড়ার দাম একই থাকবে। গতবছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৪৭ থেকে ৫২ টাকা, ঢাকার বাইরে গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৪ টাকা এ ছাড়াও খাসির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা, বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

জুন ২৪, ২০২৩
যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল - image

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল

15 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে করে জেলার ভূঞাপুর, গোপালপুর, টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে ধীরে ধীরে পানি প্রবেশ করছে। রোববার (১৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে এই দৃশ্য দেখা যায়। ইতোমধ্যে আমন মৌসুমে ধানের বীজতলা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাসহ যমুনা চরাঞ্চলবাসীর নানাবিধ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে রোববার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে ঝিনাই নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এ ছাড়াও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ী পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। আর মাত্র ৩৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি হলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর পানি মির্জাপুর পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার, ফটিকজানী নদীর পানি নলচাপা পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলোও দু’একদিনের মধ্যে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হবে। জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের কালিপুর যমুনা নদী চরাঞ্চলের বাসিন্দা আব্দুল আলীম ও সালাম মিয়া বলেন, যমুনা নদীতে প্রতিদিনই ব্যাপকহারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি লালন-পালনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এখন যেভাবে পানি বাড়ছে, এভাবে বাড়লে কয়েকদিনের মধ্যে পানি ঘরে প্রবেশ করবে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলে রোপণ করা বিভিন্ন শাক-সবজি তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া নতুন পানির আগমে পোকা-মাকড়ের উৎপাত বেড়ে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী উপ-সহকারী প্রকৌশলী নূরুল আমিন বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনায় ৩৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। আরও বেশ কিছুদিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। পাশাপাশি ভাঙন কবলিত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

জুলাই ১৫, ২০২৩
দুই সপ্তাহেও কমেনি পেঁয়াজ আলু ডিমের দাম - image

দুই সপ্তাহেও কমেনি পেঁয়াজ আলু ডিমের দাম

29 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে গত ১৪ সেপ্টেম্বর চারটি পণ্যের দাম বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা। আর প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা, ডিম প্রতি পিস ১২ টাকা আর প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ঘোষণা করা হয় ১৬৯ টাকা। তবে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম বেঁধে দেয়ার দুই সপ্তাহ পার হলেও বাজারে কার্যকর হয়নি সরকার নির্ধারিত দাম। এটি কার্যকর করতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপও দেখা যায়নি। দেশের বিভিন্ন বাজারে অভিযান ও অতিরিক্ত দামে আলু বিক্রি করায় কয়েকটি কোল্ডস্টোরেজ মালিককে জরিমানা করে দায় সেরেছে ভোক্তা অধিদফতর। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলুর কোনো সঙ্কট নেই। সরবরাহ ভালো হওয়ায় কেনাও যাচ্ছে চাহিদামতো। তবে স্বস্তি মিলছে না দামে। ৩৬ টাকার আলু খুচরা বাজারে কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। একই চিত্র পেঁয়াজের বাজারেও। দেশী পেঁয়াজের কেজি ৭৬ থেকে ৮৫ টাকা। যা সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে ২০ টাকা বেশি। আর ডিমের দাম স্থির হয়ে আছে ১৫০ টাকায়। যদিও সরকার ঠিক করে দিয়েছে ১৪৪ টাকা। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ কর্মদিবসে বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা কেজি দরে, আর আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা কেজি দরে। সেই সাথে ডিম প্রতি হালি সর্বোচ্চ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যেই পেঁয়াজ বর্তমান বাজারে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর এই সময় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪৫ টাকায়। সেই হিসেবে এক বছরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৯৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। একইভাবে যে আলু বর্তমানে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গত বছর এই সময় সেই আলু বিক্রি হয়েছে ২৩ থেকে ৩০ টাকায়। ফলে এক বছরে আলুর দাম বেড়েছে ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি ডিমের দাম এক বছরে বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। বাজারের এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তারা বলছে, সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও আমরা এসব আলু, ডিম, পেঁয়াজ এখনও বাড়তি দামেই কিনছি। বাজার মনিটরিং যদি না থাকে তাহলে দাম নির্ধারণ করে দিয়ে কি লাভ হলো? দাম নির্ধারণের আগেও যে দামে কিনেছি এখনো সেই বাড়তি দামেই কিনছি।বিক্রেতারা বলছেন, সরকারের নির্ধারণ করে দেয়া পেঁয়াজ, আলু ও ডিম এই তিন পণ্যের মধ্যে একটির দামও পাইকারি বাজারে কমেনি। তাই আমরা কমিয়ে বিক্রি করতে পারছি না। দেশী পেঁয়াজ ৮০ টাকা, আলু ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। ডিমের হালি ৫০ টাকা। সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগাম বেশ কিছু শীতকালীন সবজি এরই মধ্যে চলে এসেছে বাজারে। তবে এর মধ্যে হাতেগোনা কিছু সবজির দামই নাগালের মধ্যে, বাকি সব সবজির দাম আকাশছোঁয়া। বাজারে প্রতি কেজি শিম ২০০ টাকা, চায়না গাজর ১৪০ টাকা, মুলা ৬০-৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৬০ টাকা। এ ছাড়া, প্রতি কেজি গোল বেগুন ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, কচুরমুখি ৯০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি পিস জালি কুমড়া (চাল কুমড়া) ৬০ টাকা ও লাউ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচাকলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ৩৮০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা আর দেশী মুরগি প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্য দিকে বাজারে গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় আর খাসির গোশত প্রতি কেজি ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লাল শাক, মুলাশাক ও কলমি শাক ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্য দিকে পুঁইশাক, মিষ্টিকুমড়া, লাউশাকের আঁটি ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারে তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর এক কেজি ওজনের রুই মাছের দাম ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, দুই-আড়াই কেজি ওজনের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, আর তিন কেজির বেশি ওজনের হলে দাম হাঁকা হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। মাঝারি ও বড় সাইজের কাতল মাছ ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কই মাছ প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, পাবদা মাছ প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৪৬০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, রূপচাঁদা প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা, ইলিশ ৮০০ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ১২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo