আজ রংপুরে মহাসমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আজ রংপুরে মহাসমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বুধবার (২ আগস্ট) বিভাগীয় শহর রংপুরে মহাসমাবেশে ভাষণ দেবেন। আগামী সাধারণ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকার পক্ষে জনসমর্থন জোগাড় করতেই এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা।

রংপুর জিলা স্কুলের মাঠে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় এই বিভাগীয় মহাসমাবেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৩টায় সমাবেশে ভাষণ দেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী দুপুর দেড়টায় হেলিকপ্টারযোগে রংপুরে পৌঁছাবেন এবং বিকেল সাড়ে ৫টায় তাঁর ঢাকার উদ্দেশে বিভাগীয় শহর ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

একই মাঠে ১২ বছর পর জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এখানে নৌকার আদলে তৈরি করা হয়েছে জনসভা মঞ্চ।

মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী রংপুরের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারসহ পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রায় এক হাজার ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের অধীনে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে।

রংপুর বিভাগজুড়ে বিশেষ করে মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনার জন্য সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাঠে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, রংপুরের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ গণসমাবেশ করতে তারা সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরবঙ্গ নিয়ে তার স্বপ্নের গল্প উন্মোচন করবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যতই অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলে রংপুরসহ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দেবেন।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, জনগণই তাদের প্রধান শক্তি বলে তারা ক্ষমতায় আসার জন্য কখনো অস্ত্র ব্যবহার করেন না।

‘সুতরাং, আমরা অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল নই। আমরা অগ্নিসংযোগে বিশ্বাস করি না। আমাদের শক্তি দেশের জনগণ’, বলেন ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে জাতির পিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত শতাধিক তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও পোস্টারে সাজানো হয়েছে পুরো রংপুর। এমনকি, বিভাগীয় শহরের অলি-গলি ও রাজপথ একইভাবে সাজানো হয়েছে।