নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬, প্রায় শতাধিক আহত

এটিএন বাংলা ডেস্ক:

চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু এবং প্রায় শতাধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে।
রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩ জন নিহত এবং পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বাগমারা উপজেলার হাটগাঙ্গোপাড়ায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার সরঞ্জি ভাসুপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (২৮), ছহির উদ্দিনের ছেলে বুলু (৩৮) এবং মনতাজ আলী (৩৫)। সংঘর্ষের সময় বাগমারা থানার ওসি মতিয়ার রহমান ও এএসআই আমিনুল ইসলাম আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান: হাটগাঙ্গোপাড়া বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুজ্জামানের সমর্থকরা নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় আনন্দ করতে থাকলে প্রতিপক্ষ জান মোহাম্মদের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালালে ৩ জন নিহত হন। গুরুতর আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কালডাঙা দাখিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে মাহাবুব হোসেন পল্টু নামে একজন নিহত হন।
বিকেলে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ গুলি চালালে পল্টু নামে একজন নিহত হন। সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ হয়।

ভোট শুরুর পর কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের চান্দলা স্কুলে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় তাপসচন্দ্র দাস নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে হোসেন আলী নামে ১ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

এছাড়া ফেনী, লক্ষ্মীপুর, মেহেরপুর, চাদপুরে আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক।