শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘শূণ্যতায়’

গ্যালারী নিউজ হাইলাইট

এটিএন বাংলা ডেস্ক:

এটিএন বাংলায় গতকাল (৯ মে) থেকে প্রচার শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘শুণ্যতায়’। ধারাবাহিকটি প্রতি মঙ্গল ও বুধবার রাত ১০.৫৫ মিনিটে প্রচারিত হবে। জাকির হোসেন উজ্জলের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন মনিরুজ্জামান মনির। অভিনয় করেছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, আনিকা কবির শখ, নিলয় আলমগীর, নাজিয়া হক অর্ষা, কল্যান কোরাইয়া, সাব্বীর আহমেদ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, কে এস ফিরোজ, সাবেরী আলম, তাসনোভা এলবিন, দীপক কর্মকার প্রমুখ।

বাসর ঘরে সামান্তা তার নব বিবাহিত স্বামী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী রুবায়েতকে একটা মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলে এ নাম্বারের ছেলের সাথে তার ভালবাসার সম্পর্ক আছে। ছেলেটির নাম অয়ন। কলেজ জীবন থেকে অয়নের সাথে ওর রিলেশন। আজকের বিয়েতে তার কোন মত ছিলনা। বাবার জোরাজোরিতে সে বিয়েতে রাজি হয়েছে। কারণ ব্যবসায়ী রুবায়েত সাহেবের অর্থ সম্পদির লোভে সামান্তাকে বিয়ে দিয়েছে তার বাবা। ভালোবাসার মানুষ অয়নকেই একমাত্র স্বামী হিসেবে মেনে নিবে সামান্তা। তার জায়গায় অন্য কাউকে নিয়ে সে সুখী হতে পারবেনা। সামান্তার কথা শুনে আকাশ থেকে পরে রুবায়েত। ফোন নাম্বারটা নিয়ে সারারাত ভাবে। সোফায় বসেই জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ফুল সজ্জ্বার রাতটা পার করে দেয়। রুবায়েতের বয়স যেমন একটু বেশী, সামান্তার বয়সও অনেক কম। রুবায়েত ভাবে যে মনের আবেগ থেকে কথাগুলো বলছে মেয়েটা। দু’ একদিন গেলে বিষয়টা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু পরদিনই সামান্তা ওকে বোকা বানিয়ে পালিয়ে যায় অয়নের সাথে।
রুবায়েত ছুটে যায় শ্বশুর বাড়ীতে। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় নিজের সম্মান রাখতে হলেও যেভাবেই হোক সামান্তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু ওদের নাগাল পাবে কিভাবে? সামান্তা অয়নকে নিয়ে চলে যায় বান্দরবানে ওর এক বন্ধুর কাছে। রুবায়েত লোক দিয়ে অয়নের মোবাইল ট্রাকিং করে জেনে ফেলে ওদের অবস্থান। সে তার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত লোক মিঠুকে পাঠিয়ে দেয় ওদের খুঁজে বের করতে।
পালিয়ে এসেও মুক্ত হতে পারেনা সামান্তা। কারণ সে মেনে নিক বা না নিক কাগজে কলমে সে রুবায়েতের স্ত্রী। রুবায়েতের সাথে তালাক না হওয়া পর্যন্ত সে অয়নকে বিয়ে করতে পারবেনা। বিষয়টা চিন্তা করে প্রচন্ড হতাশ হয় সে। অয়ন ওকে শান্তনা দিয়ে বলে যেভাবেই হোক সে রুবায়েতের কাছ থেকে ওর তালাক নামায় স্বাক্ষর করে এনে তারপরই ওকে বিয়ে করবে। ওরা বান্দরবানের বিভিন্ন যায়গায় ঘুরতে থাকে। এদিকে মিঠু সেখানে এসে লোকজন নিয়ে মরিয়া হয়ে ওদের খুঁজতে শুরু করে।