টেলিফিল্ম ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’

ঈদ হাইলাইটস গ্যালারী নিউজ বিনোদন

প্রচার- ঈদের আগের দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিট
রচনা- প্রিয় চট্রোপাধ্যায়, পরিচালনা- জি এম সৈকত।

এটিএন বাংলায় ঈদের আগের দিন রাত ১১টা ৫০ মিনিটে প্রচার হবে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ শিল্পী সমন্বয়ে অভিনীত বিমানে চিত্রায়িত ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’। প্রিয় চট্রোপাধ্যায়ের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন জি এম সৈকত। দুই বাংলার দু’টি চরিত্র মনীষা আর সন্দীপন। এদের ভালোবাসার কাহিনী দিয়ে সাজানো হয়েছে টেলিফিল্মের গল্পটি। দুই বাংলার রোমান্টিক গল্পটিতে অভিনয় করেছেন পরান বন্দোপাধ্যায় (ভারত), তথাগত (ভারত), নাদের চৌধুরী (বাংলাদেশ), অস্পরা সুহি (বাংলাদেশ) সহ আরো অনেকে।
মনীষা ঢাকা থেকে কলকতায় আসে এম মিউজিক ডিগ্রী অর্জন করার জন্য রবীন্দ্র ভারতীতে, সেই সুবাদে মনীষার বান্ধবী আঁখির ভাই সন্দীপনের সাথে তার পরিচয় হয়। তাদের এই পরিচয় এক সময় ভালোবাসায় পরিনত হয়। এর মধ্যে মনীষার কাকু ঢাকা থেকে বেড়াতে আসে কলকাতায়। তখন সে তাদের ভালোবাসার কথা জানতে পারে এবং বাংলাদেশে ফিরে সে মনীষার বাবা-মার সাথে সব কথা খুলে বলে। মনীষার বাবা তখন অসুস্থার অযুহাতে মনীষাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনে এবং তার মনের বিরুদ্ধে তাকে বিয়ে দেয়। সন্দীপন সব জানার পর সে আর বিয়ে করে না। এক সময় সে ডাক্তারি প্রাক্টিস্ এর জন্য ঢাকাতে আসে। প্রাক্টিস্ শেষ করে কলকাতায় ফেরার পথে বিমানে হোস্টেস এর ড্রেসে মনীষার মতই চেহারার আয়শকে দেখে। এদিকে মনীষা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় আসে চিকিৎসার জন্যে। সেখানে তার দেখা হয় সন্দীপনের সাথে। সন্দীপন তখন জানতে পারে আয়শা হচ্ছে মনীষার মেয়ে এবং তার স্বামীর সাথে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। সন্দীপন মনীষার মেডিকেল রিপোটে দেখে- মনীষা একেবারে মৃত্যুর দারপ্রান্তে পৌছে গেছে যেখান থেকে তাকে ফেরানো সম্ভব নয়।