এটিএন বাংলায় আবারও ‘ধারাবাহিক নাটক-ঝুলন্ত বাবুরা’

গ্যালারী নিউজ হাইলাইট

এটিএন বাংলা ডেস্ক:

এটিএন বাংলায় আজ (২০ ফেব্র“য়ারি) থেকে আবার প্রচার করা হবে ধারাবাহিক নাটক ঝুলন্ত বাবুরা। ধারাবাহিকটি প্রতি সোম থেকে বুধবার, বেলা ৩টা ১০মিনিটে প্রচার হবে এটিএন বাংলার পর্দায়।
অয়ন চৌধুরীর রচনা ও কবীর বাবুর পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদ, মামুনুর রশীদ, মোশারফ করিম, নাফিজা, চঞ্চল চৌধুরী, ফজলুর রহমান বাবু, আ খ ম হাসান, ডাঃ এজাজ, জয়রাজ, হুমায়রা হিমু, আলভি, জুঁই করিম, শামীম জামান, আমানুল হক হেলাল, সঞ্জীব আহমেদ, শামীম আল মামুন ও আরো অনেকে।
মোহর আলী ও কহিনূর বেগমের এক মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়ে বড় এবং ছেলে ছোট। মেয়ে বকুলের বিয়ে হয়ে গেছে। আর ছেলে বাবু ? অস্থির প্রকৃতির বাবু’র কোন কাজই সহজে হয় না। যেমন, দুইবার বিএ পরীক্ষা দিয়ে ফেল, তৃতীয়বার পরীক্ষা দিয়ে ইংরেজীতে রেপার্ড পেয়েছিলো; পরিচিত একজনের মাধ্যমে চাকরি হবে হবে বলে হচ্ছে না; প্রেমের বিষয় নিয়েও হৃদয়ে ভাঙ্গচুড় অবস্থা। কারন কলেজ পড়–য়া তিথি বিভিন্ন শর্ত দিয়ে প্রেম ঝুলিয়ে রেখেছে। এসব কিছু মিলে বাবু’র সকল কার্যক্রমই নাকের ডগায় ঝুলন্ত বিশেষ। তাই তার নাম ঝুলন্ত বাবু। কিন্তু অন্য কারো কোন প্রয়োজনে তার সরব উপস্থিতিতে সমাধান করার চেষ্টা করে।
মোহর আলী নিজে পছন্দ করে মেয়ে বকুলের বিয়ে দিয়েছেন কদমতলী গ্রামের ফুটবল রেফারী আক্কাসের সাথে। তাকে সবাই রেফারী আক্কাস নামে চিনে। আক্কাসের গলায় সব সময় বাঁশী ঝুলানো থাকে। কারণ খেলার মাঠের চাইতে তার স্ত্রী বকুলের রেফারী হিসেবে কাজ করতে হয় বেশী। বকুল অতিশয় বদ-মেজাজী এবং কান্নাপ্রিয় নারী। তাই তার স্বামী রেফারী আক্কাস বাঁশীর হুইসেল বাজিয়ে বকুলকে স্মরণ করিয়ে দেয় মেজাজ বেশী খারাপ হয়ে গিয়েছে অথবা কান্না বেশী হয়ে যাচ্ছে। বকুলের আবার স্বামীর প্রতি ভালোবাসা অগাধ।
মোহর আলী চিন্তাহীন মানুষ। তার কাছে চিন্তা করা মানে নতুন চিন্তাকে স্বাগত জানানো। তাই চিন্তা করার চাইতে বাড়ীতে বসে তাস দিয়ে প্যাশেন্ট খেলা ভালো। এতে বুদ্ধি শাণিত হয়। কহিনূর বেগম মায়ের মমতা দিয়ে সংসারের সব সমস্যা সমাধান করতে চায় কিন্তু পরিবার নিয়ন্ত্রন করা কি সহজ কাজ? সেই পরিবারে যদি থাকে এমন সব চরিত্রের গুণাবলী সমৃদ্ধ মানুষজন তাহলেতো কথাই নেই। এসব নিয়ে নানাবিধ চিন্তায় চিন্তিত কহিনূর বেগম। হঠাৎ একদিন মোহর আলী, আনার নামে এক দৈবশক্তিধারী দরবেশকে বাড়ী নিয়ে এসে আশ্রয় দেয়। আনারের কাজ তার দৈবশক্তির বলে মোহরের সংসারে তথা গ্রামের উন্নয়ন সাধন করা। এভাবেই এগিয়ে চলে নাটকের কাহিনী।