উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে জকোভিচ

উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে জকোভিচ
প্রথম তিন রাউন্ডে অভাবনীয় সাফল্য পান টিম ফন রিজথোভেন। ধারণা করা হচ্ছিল, অবাছাই এই ডাচ টেনিস খেলোয়াড় শেষ ষোলোয় দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারেন নোভাক জকোভিচের।

জয় না পেলেও রিজথোভেন লড়াই করেছেন ঠিকই। উইম্বলডনে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছার লড়াইয়ে সার্বিয়ান সুপারস্টারকে হারিয়ে দেন দ্বিতীয় সেটে। ২০টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক এরপর আর সুযোগ দেননি টুর্নামেন্টের ‘আন্ডারডগ’ খেতাব পাওয়া রিজথোভেনকে। চার সেটের লড়াই জিতে শেষ আটে পৌঁছে গেছেন জোকার।

রোববার শততম জন্মদিন পালন হয়েছে উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টের। বিশেষ দিনে সুবজ গালিচায় নোভাক জয়টা সাজালেন ৬-২, ৪-৬, ৬-১ ও ৬-২ গেমে।

উইম্বলডন শিরোপা জয়ের দৌড়ে আরো এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন জকোভিচ। ম্যাচশেষে তিনি বলেন, ‘সবমিলিয়ে দারুণ খেলেছি আমি। আমি তার (রিজথোভেন) ছন্দ বোঝার চেষ্টা করেছি। তৃতীয় ও চতুর্থ সেটে তার সার্ভ আরো ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলাম।’

এর আগে রিজথোভেনের মোকাবিলা করেননি জকোভিচ।

ডাচ তারকার প্রশংসা করে জোকার বলেন, ‘আমি জানতাম, (দ্বিতীয় সেটে হারের পর) রিজথোভেনের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যাবে। তার বিপক্ষে আগে কখনো খেলিনি, টিভিতে তার খেলা দেখেছি শুধু। ঘাসে দুর্দান্ত সে, তা আজ প্রমাণ করে দেখালো।’

জকোভিচের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে রিজথোভেন বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক ম্যাচে আমি জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামি। জকোভিচের বিপক্ষেও তাই হবে।’ তবে জোকারের কাছে হেরে রিজথোভেন জানালেন, সেন্টার কোর্টে নার্ভাস ছিলেন তিনি। প্রতিপক্ষের প্রশংসাও শোনা গিয়েছে রিজথোভেনের কণ্ঠে, ‘সেন্টার কোর্টে আমি নার্ভাস ছিলাম। জকোভিচ আসলে জকোভিচের মতোই খেলেছে। খুব ভালো। (শ্রেষ্ঠত্বের) সব উত্তর সে দিয়েছে মাঠে।’

সেমিফাইনালে পৌঁছার লড়াইয়ে ১০ নম্বর বাছাই জানিক সিনারের মোকাবিলা করবেন জকোভিচ। ২০ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান রাউন্ড অব সিক্সটিনে পরাস্ত করেন স্প্যানিশ রাইজিং স্টার কার্লোস আলকারাজকে। যিনি মাদ্রিদ ওপেনে জকোভিচ, নাদালদের হারিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে সিনারের পক্ষে ম্যাচের ফল ৬-১, ৬-৪, ৬-৭ (৮-১০) ও ৬-৩ গেম।