ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘নীলাভ বিস্মরণ’

ঈদ হাইলাইটস গ্যালারী নিউজ বিনোদন হাইলাইট

এটিএন বাংলা ডেস্ক:

প্রচার- ঈদের তৃতীয় দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিট
রচনা-ইফফাত আরেফীন মাহমুদ তন্বী, পরিচালনা- চয়নিকা চৌধুরী।

এটিএন বাংলায় ঈদের তৃতীয় দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘নীলাভ বিস্মরণ’। ইফফাত আরেফীন মাহমুদ এর রচনা এবং চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আনিসুর রহমান মিলন, মেহ্জাবীন চৌধুরী, আজম খান,গীতশ্রী চৌধুরী প্রমুখ।
শান্তনু আর অতনু পীঠাপিঠি দুই ভাই। দুই ভাই এর খুব বন্ধুত্ব। যদিও দুজন সম্পুর্ন দুরকম। শান্তনু খুব চঞ্চল। লেখাপড়ায় তেম মন ছিল না। আর অতনু বরাবর লেখাপড়াই ভালো। দুভাই একসাথেই স্কুলে পড়েছে। পরীক্ষার হলে অতনু সারাজীবন টেনশন করতো, শান্তনু ঠিকমতো লিখলো কিনা…। অতনু স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে চলে যায়। শান্তুনু দেশেই থাকে। পড়াশোনা শেষ করে মাঝে মাঝে বাবার সাথে দোকানে বসে কিন্তু দিন কেটে যায় আড্ডা মেরে। ওদের পাড়ায় ভাড়া আসে ইরা। ইরার বাবা নেই। মা আর ছোটভাই নিয়ে ওদের সংসার। ইরারা তাদের এক আত্মীয়ের বাড়ীতে ভাড়া এসেছে কারণ, সুন্দরী মেয়েয়ে নিয়ে মা একটু বিপদেই আছেন। ইরাকে দেখেই ভালো লাগে শান্তনুর। রাস্তায় টুকটাক কথা হয়। পাড়ার স্টুডিও থেকে ইরার পাসপোর্ট সাইজের ছবিও যোগাড় করেছে শান্তুনু। অতনুকে চিঠিতে সে ইরার কথা লেখে। ইরাকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা লেখে। অতনু স্বস্তি পায় এই ভেবে যে তার বাউন্ডুলে ভাইটা বাধা পড়েছে। অতনু বাবাকে বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলে। ইরার মা অনেক ভেবে চিন্তে রাজি হয়। অতনু আসে বিয়ে উপলক্ষে। ওদের হলুদ হয়। নাটকের শুরু এখান থেকেই। হলুদের পরদিন ইরা সকালে ঘুম ভেঙ্গে ইরা হইচই শুনতে পায়। কে বা কারা শান্তনুকে ডেকে নিয়ে খুন করে ফেলে গেছে রাস্তার পাশে। ঘটনার পরে অতনুর বাইরে ফিরে যাওয়া পিছিয়ে যায়। বাবা চান না অতনু আবার ফিরে যাক। তিনি ইরার সাথে অতনুর বিয়ের কথা তোলেন। ঘটনা এমন দাড়ায় যে অতনু রাজি হয়। ওদের বিয়ে হয় কিন্তু কেন যানি ওরা দুজন সহজ হতে পারে না। ওরা সংসার করে। প্রয়োজন ছাড়া কথা হয় না। বাইরে গিয়ে অতনু ভাবে আজ বাসায় গিয়ে ইরাকে এটা বলবে সেটা বলবে কিন্তু ইরাকে কিছু বলতে গেলেই ও শান্তনুকে দেখে। ইরার বেলাতেও এমনটি ঘটে। ওদের দুজনার মাঝে এসে শান্তু এসে দাড়ায়, ছায়া শান্তনুকে ওরা দূরে সরাতে পারে না। অতনুর বাবা বিষয়টা বুঝতে পারেন।
এদিকে অতনুর মনে হতে থাকে ও সারা জীবন শান্তনুর থেকে বেশি পেয়েছে। মরে গিয়েও শান্তনু সব দিয়ে গেছে নাকি অতনুর সারা জীবন বেশি পাওয়ার শোধ নিচ্ছে, অতনু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার ভাই এর ছায়াকে ঘৃণা করতে শুরু করে। অতনুর বাবা অতনু আর ইরাকে ডেকে নিয়ে বলেন, নিয়তি ওদের দুজনকে এক করবে বলেই হয়তো এই ঘটনা ঘটিয়েছে। শান্তনু নেই মানে নেই, ওকে মাঝে বসিয়ে জীবনটা বিষিয়ে তোলার কোন মানে নেই। সেদিন রাতে অতনু ইরার পাসপোর্ট সাইজের ছবি দেখে তার প্রেমে পড়েছিল। সে রাতে তারা প্রথম একে অপরের হাত ছুয়ে বসে থাকে।