সংবাদ শিরোনাম
Top News
রাজধানীতে পুলিশ-বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক সংঘর্ষ, চাকরি জাতীয়করন না করলে স্কুল বন্ধের হুমকি।
রাজধানীতে পুলিশ-বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক সংঘর্ষ, চাকরি জাতীয়করন না করলে স্কুল বন্ধের হুমকি। বেস...
সরকারি মাধ্যমিক সহকারি শিকদের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণী কর্মকর্তা করার ঘোষণা দিলো প্রধানমন্ত্রী।
সরকারি মাধ্যমিক সহকারি শিকদের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণী কর্মকর্তা করার ঘোষণা দিলো প্রধানমন্ত্রী। এদ...
ইলিয়াস আলী সরকারের কাছে নেই
ইলিয়াস আলী সরকারের কাছে নেই ইলিয়াস আলী সরকারের কাছে নেই। সরকারের কোন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও তাঁকে ...
পাক সেনাদের সহায়তাসহ পাঁচটি অভিযোগে গোলাম আযমের বিচার শুরু
পাক সেনাদের সহায়তাসহ পাঁচটি অভিযোগে গোলাম আযমের বিচার শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিকল্পনা, ষড়যন...
গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ১৮ দলের ৩২ নেতাকে বুধবারের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ।
গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ১৮ দলের ৩২ নেতাকে বুধবারের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের ন...
-
রাজধানীতে পুলিশ-বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক সংঘর্ষ, চাকরি জাতীয়করন না করলে স্কুল বন্ধের হুমকি।
-
সরকারি মাধ্যমিক সহকারি শিকদের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণী কর্মকর্তা করার ঘোষণা দিলো প্রধানমন্ত্রী।
-
ইলিয়াস আলী সরকারের কাছে নেই
-
পাক সেনাদের সহায়তাসহ পাঁচটি অভিযোগে গোলাম আযমের বিচার শুরু
-
গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ১৮ দলের ৩২ নেতাকে বুধবারের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ।
![]() |
শুধু পদ্মা সেতু নয়, পানি শোধনাগার, বিদ্যুত, বিমান বন্দর তৈরিতেও বিনিয়োগের আগ্রহ জানিয়েছে মালয়েশিয়ারর বহুজাতিক কোম্পানিগুলো।
শুধু পদ্মা সেতু নয়, পানি শোধনাগার, বিদ্যুত কেন্দ্র নতুন বিমান বন্দর তৈরিতেও বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ জানিয়েছে, মালয়েশিয়ারর বহুজাতিক কোম্পানিগুলো। এজন্য বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দাবি করেছেন, তারা। সকালে রাজধানী শহর কুয়ালামপুরে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর সাথে এ নিয়ে বৈঠক করেন ওইসব কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের এ মাসেই ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মন্ত্রী। কুয়ালালামপুর থেকে রিপোর্ট করছেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি কেরামত উল্লাহ বিপ্লব। বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে নানা ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছেন, মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীরা। কুয়ালালামপুরেও গত ১০ বছরে অবকাঠামো, পর্যটন খাতে বিদেশী ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করেছেন, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবার তাদের নজর বাংলাদেশের দিকে। ১৫ কোটি মানুষের বাংলাদেশকে সম্ভাবনার নতুন ত্রে ধরেই মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ীরা তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে বসেন সকালে। মালয়েশিয়া সফররত বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে তাদের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন, মালয়েশিয়ায় থাকা বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা। তারা বলেন, বিনিয়োগের জন্য এখন বাংলাদেশে তাদের দরকার সহযোগিতা ও রাজনৈতিক সহণশীলতা। মালয়েশিয়ায়ার এই বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে শিগগিরই আলোচনা হবে বলে জানান, বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী। বিদ্যুত কেন্দ্র, পানি শোধনাগারসহ বিশ্বমানের বেশ কিছু বড় প্রকল্প গড়ার প্রস্তাব নিয়ে শিগগিরই ঢাকা সফরেও যেতে চান, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা।
বিস্তারিত....
রুনি-সাগরের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা সাংবাদিক নেতাদের।
সাংবাদিক দম্পতি মেহেরুন রুনি-সাগর সরওয়ারের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে আগামী ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সাংবাদিক নেতারা। এছাড়া এর আগে, একই দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি পেশ এবং প্রয়োজনে দেশব্যাপী সাংবাদিকদের কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেয়া হয় সচিবালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকালে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে সাংবাদিকরা জড়ো হতে থাকেন জাতীয় প্রেসকাবের সামনে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রেস কাবের মূল গেট দিয়ে মিছিলসহ সচিবালয়ের দিকে রওয়ানা হন তারা। তবে কিছুদূর এগুনোর পর প্রেসকাবের পূর্ব গেটের কাছে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। সেখানে মূল সড়কে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকরা। এর আগে এক দল সাংবাদিক পুলিশের কাঁটাতারের বেরিকেড পেরিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের সচিবালয়ের মূল ফটকেই আটকে দেয় পুলিশ। সেখানে কিছুণ অবস্থানের পর মূল কর্মসূচীতে যোগ দেন তারা। দুঘন্টার সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা রুনি-সাগরের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। এ সময় অন্দোলনের নতুন কর্মসূচী দেন সাংবাদিক নেতারা। এছাড়া ২০শে মে থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের রুপরেখা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা চলবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। গত ফেব্র“য়ারীর ১১ তারিখ মধ্য রাতের কোন একসময় রাজাবাজারের বাসায় সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। এ ঘটনার পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুনীদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘন্টা সময় বেঁধে দেন। উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও বার বার তদন্তের অগ্রগতির কথা বলেন। কিন্তু দীর্ঘ তিন মাস পার হলেও দৃশ্যত কোন অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয় র্যাবকে। আদালতের অনুমতি নিয়ে হত্যার প্রায় ৭৫ দিন পর র্যাব, রুনি-সাগরের লাশ কবর থেকে তোলে ভিসেরা পরীার জন্য।
Photo Gallery
Photo Gallery
|
|
|
|
ATN সম্পর্কে কিছু কথা
বাংলা নামে যে একটি সমৃদ্ধ ভাষা আছে এই ভাষায় যে রচিত হতে পারে বিশ্ব মানের সাহিত্য, গল্প, কবিতা, উপন্যাস, এ কথা বিশ্ববাসীকে সর্বপ্রথম জানান দিয়েছিলেন বাঙালীর প্রাণ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপর দীর্ঘ যুগ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাঙালী পেয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়, অভ্যূদয় ঘটেছে বাংলাদেশের। এই বাঙালী, বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা বিশ্বের বুকে সামগ্রীক পরিচয় তুলে ধরেছে এটিএন বাংলা। স্যাটেলাইট এই দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯৫ সালে, নতুন প্রযুক্তি, নতুন ধরণের বিনোদন। এদেশের মানুষ হুমড়ী খেয়ে পড়ে বিদেশী সংস্কৃতির টিভি চ্যানেলগুলোতে। বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল তখনও ছিলো না। চারিদিকে শুধু বিদেশী ভাষা আর সংস্কৃতির দাপট। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন ভিন্ন শিক্ষায় বেড়ে উঠছিল।
১৫ই জুলাই ১৯৯৭, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বলতম দিন। বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলাভাষা সম্প্রচার ঘটলো স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার মাধ্যমে। তীক্ষ্ণ দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চিন্তাশীল ভবিষ্যৎ প্রবক্তা ড. মাহফুজুর রহমান মাত্র গুটি কয়েক তরুণকে নিয়ে দিনের পর দিন পরিশ্রম আর অসাধ্য সাধনে নিয়োজিত হলেন। তিনি স্যাটেলাইটে পৌছে দিলেন বাংলা বিনোদন “মোদর গরব মোদের আশা, আ-ম-রি বাংলা ভাষা”। সারা বিশ্বের সকল মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার, দুপুর ১২টা ৩০মিনিট থেকে ৩ ঘন্টাব্যাপী সাপ্তাহিক ইসলামী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। আজ ইসলামী অনুষ্ঠান অধিকাংশ মানুষকে উজ্জীবিত করেছে কোরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে জীবন গড়তে।
১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ পরিকল্পনা আর যত্ন লক্ষ্য করা গেল এটিএন বাংলায়। মে’ ১৯৯৯ পরিকল্পনা আর যত্ন লক্ষ্য করা গেল এটিএন বাংলায়। মে মাসে পরিবর্তন ঘটলো প্রযুক্তিতে। এনালগ থেকে ডিজিটাল। মিলেনিয়াম ২০০০ বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি প্রচার-প্রসারে এক নবদিগন্ত উম্মোচিত করলো এটিএন বাংলা তার ইউরোপ সম্প্রচারের মাধ্যমে।
১৬ই আগষ্ট ২০০১। এটিএন বাংলা শুরু করে সংবাদ প্রচার আর ইংরেজী সংবাদ প্রচার শুরু হয় ১লা অক্টোবর ২০০২। ২০০৩ এর ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় তারুণ্য দীপ্ত ২৪জন টিভি সংবাদ কর্মী যোগদান করেন। একই বছর ইরাক যুদ্ধের উপর বিশেষ বুলেটিন দিয়ে শুরু হয় প্রতি ঘন্টার সংবাদ সমপ্রচার। ফলে এটিএন বাংলার সংবাদ হয়ে উঠে দেশের সেরা খবরের পিঠস্থান।
এটিএন বাংলার ইতিহাস হয়তো একদিন রূপকথার মত শুনাবে, শুনাবে এর স্বপ্নদ্রষ্টা মাহফুজুর রহমানের কথা। ৮ বার জাতীয় রপ্তানী ট্রফি জয়ী ড. মাহফুজুর রহমান তাঁর স্বপ্নের প্রত্যক্ষ রূপ দিলেন, ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এ্যামি এ্যাওয়ার্ড অর্জন করে ছোটদের তৈরী “আমরাও পারি” অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২২শে নভেম্বর ২০০৪ সালে ।
১৪ই মে ২০০৫, স্বপ্নের যেন শেষ নেই স্যাটেলাইটে মাহফুজুর রহমানের আরো স্বপ্নের বাস্তবায়ন। এবার শুরু করলেন স্থানীয় পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণ, যার শুরু ছিল “নবীন বরণ ও শাপলা শালুক গোল্ড মেডেল” প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। সারা দেশকে তিনি ১৮টি ভাগ করে এক বিশাল বাহিনী নামিয়ে দিলেন প্রতিভার খোঁজে। ঠিক একমাস পর ১৪ই জুন রাজশাহী অঞ্চল থেকে। এখন যার প্রয়াস অব্যাহত আছে দেশের বাইরে।
২০০৬ সালে এশিয়া অঞ্চল থেকে আঞ্চলিক এ্যামি এওয়ার্ড লাভ করে এটিএন বাংলা। মাহফুজুর রহমান এবার চাইলেন এটিএন বাংলাকে সরাসরি পৌঁছে দিতে সুদূর অষ্ট্রেলিয়ায়। স্বাক্ষর করলেন অষ্ট্রেলিয়া সম্প্রচারের চুক্তি । যার বাস্তবায়ন ঘটে ১লা আগষ্ঠ ২০০৭। ২০০৭ সালে ৪র্থ বারের মত এটিএন বাংলা এ্যামি’এ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেলো ছোটদের জন্য নির্মিত “বাঁচার আশা” ডকু ড্রামার মাধ্যমে।
এছাড়াও ২০০৭ এ স্যাটেলাইটের প্রবক্তা পেলেন আরো যশ আরো খ্যাতি, সম্মান সূচক বিশ্বখ্যাত মাদার তেরেসা, অতীশ দীপঙ্কর পদক, মহাত্মা গান্ধী রিচার্স কাউন্সিল পদক, চাইল্ড ওয়েলফেয়ারসহ বহু পদক প্রাপ্ত হন ড.মাহফুজুর রহমান এবং একইসাথে তাঁর হাতে গড়া এটিএন বাংলা। এবছরই দেশের সেরা চ্যানেল হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের স্থান করে নেয় “মিট দ্য প্রেস” এবং লিড নিউজ “ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম” জরিপে। ২০০৭ সালে এটিএন বাংলা শুরু করলো বাংলাদেশের আরেক ইতিহাস,“বি-লিগ ফুটবল খেলা, যা বাংলাদেশে প্রথম পেশাদার ফুটবল লিগ” তার সরাসির সম্প্রচার ঢাকা স্টেডিয়াম থেকে। এখন ক্রীড়া মানেই এটিএন বাংলা, সবার আগে সব ক্রীড়ায়।
২০০৮ সাল, রাজনীতি, অর্থনীতি, সরকার ছাড়াও ঘরে বাইরে সমালোচকদের আলোচনার মূখ্য বিষয় এটিএন বাংলা এবং তার নিরপেক্ষ সংবাদ ও সাজানো গুছানো অনুষ্ঠানমালা।এবছর এটিএন বাংলা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে কনসার্ট ও লন্ডন থেকে বৈশাখী মেলার সরাসরি সম্প্রচার করে। এছাড়াও একই বছর উপমহাদেশের দুই কিংবদন্তী সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব বাপ্পী লাহিড়ী ও মান্না দে ঢাকায় আসে এটিএন বাংলার আমন্ত্রণে। ২০০৮ এটিএন বাংলা নিজেকে একই সাথে ধন্য ও সমৃদ্ধ করে সাদা মনের মানুষের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে।
এটিএন বাংলা একই বছর সব চেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে ম্যাজিক তিন চাকার তারকা দেশের খেটে খাওয়া মানুষ রিক্সাওয়ালাদের সঙ্গীত প্রতিযোগিতা আয়োজন করে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশী বিদেশী ইভেন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাটেক্সপো নাইটস্, থিম পার্ক নন্দনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন কনসার্ট, সনু নিগম কনসার্ট এবং ইত্তেফাক-ফ্যান্টাসী কিংডম তথা কনকর্ডের সঙ্গে বিউটি কনটেষ্ট ষ্টাইল আইকন ২০০৮ এর আয়োজন উল্লেখযাগ্য। আর ২০০৮ সালে বহুল প্রতিক্ষীত জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ডজন খানেক ষ্টুডিও ব্যবহার করে প্রচার ও ফলাফল প্রকাশ ছিল অন্যতম প্রশংসার দাবিদার।
২০০৯ সালে এটিএন বাংলা সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে বি.ডি.আর ট্র্যাজেডির রিপোর্ট গুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আকারে দেশবাসির কাছে তুলে ধরে। এছাড়া একই বছর বাংলাদেশের কোন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল হিসেবে সুদুর চট্রগ্রাম থেকে পৃথিবীর ২য় অফিসিয়াল টি-২০ ক্রিকেট গ্র্যান্ড ওপেনিংসহ সেমিফাইল ও ফাইনাল খেলা সরাসরি সম্প্রচার করে, যা এখন ক্রীড়া ও গণমাধ্যমের আলোচ্য বিষয়। এছাড়াও বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে বৈশাখী মেলা ৪ঘন্টাব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার এটিএন বাংলার উল্লেখযোগ্য দিক। এটিএন বাংলার সংবাদে যদি ফিরে তাকাই, দেখি মগবাজারে রেল ট্র্যাজিডি! কিভাবে এটি একটি ইমাজিন ভিডিও হিসেবে দর্শকদের সামনে ধড়া পড়েছে। এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান বিভাগ চলছে একইভাবে সমান তালে। ২০০৯ সালে মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র জয় করে নিয়েছে প্রয়াত সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক বজলুর রহমার স্মৃতি পদক “মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব বিবেক, মুক্তিযুদ্ধ ও ১৪ই ডিসেম্বর, বধ্য ভূমি ৭১” শিরোনামে অুনষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে।
এবছরই ড. মাহফুজুর রহমান বাংগালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে নিয়ে নির্মাণ করলেন সঠিক ও সত্য নির্ভর তথ্য চিত্র “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস”। এটা যেন বাঙালীর চির আকাংখার এক প্রতিফলন।
এছাড়া দেশী-বিদেশী শিল্পীদের অংশ গ্রহণে চলে একাধিক কনসার্ট, অনুষ্ঠান। প্রচার হয় একাধিক ট্যালেন্ট হান্ট স্কুল ভিত্তিক টাটকা ন্যাশনাল ডান্স ষ্টার, শাহ সিমেন্ট নির্মাণে তারকা, চাষী তারকা, এসিআই পিওর চ্যাম্পিয়ন কুক এরমধ্যে অন্যতম। এবছরই এটিএন বাংলার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ এসেছিলেন বিশ্ব বরেণ্য সঙ্গীত ও গজল শিল্পী পঙ্কজ উদাস, শানসহ আরো অনেকে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এর আয়োজনে ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ১১তম এস.এ গেমস্। আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দ্রুত তৈরী করে। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসাসিয়েশন এস.এ গেমস ধারন-সম্প্রচার লক্ষে একটি মিডিয়া কমিটি গঠন করে। ঐ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশে অনেক গুলো বেসরকারী টিভি মিডিয়া রয়েছে তাই, মোট ৭টি প্যাকেজে এই আসরের ইভেন্ট গুলোকে ভাগ করে দেয়া হয় তাদেরকে। এটিএন বাংলা প্যাকেজ হিসেবে দায়িত্ব পায় তিনটি ইভেন্ট ধারণ ও সরাসরি সম্প্রচারের। এস.এ গেমস্ এর ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয় দুটি ভেন্যূতে, একটি রাজশাহী, অন্যটি ঢাকার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ষ্টেডিয়াম। এছাড়াও সাইক্লিং সুদূর খুলনা থেকে আর উষূ সিলেট থেকে ধারণ করে তা প্রতিদিন প্রচার করে। পিসিএল সফলভাবে শেষ করার পর সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে সুদূর শারজাহতে। দ্বিতীয়বারও ব্রডকাষ্ট পার্টনার ছিল এটিএন বাংলা। চ্যানেলটি শারজাহ থেকে ১৫টি ম্যাচ সেখানে সম্প্রচার করে।
বাংলাদেশের প্রথম প্রফেশনাল টি২০ ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের আরো ১৫টি ম্যাচ মিরপুর স্টেডিয়াম থেকে সম্প্রচার করে এটিএন বাংলা। এছাড়াও এটিএন বাংলার, ৪০ওভারের প্রমিলা লিগ সরাসরি সম্প্রচার, ত্রিদেশীয় ক্রিকেট লীগ সম্প্রচার এবং লংগার ভার্সন ক্রিকেট সম্প্রচারের অভিজ্ঞাও অর্জিন করে ২০১০ সালে। আজ এই পর্যায়ে এটিএন বাংলা, সাহস করে বলতেই পারে- আমাদের ঝুলিতে অর্ধ শতকের বেশী সরাসরি ক্রিকেট খেলা সম্প্রচারের অভিজ্ঞতা সঞ্চিত আছে। ২০১০ সালে এটিএন বাংলার আঞ্চলিক এ্যামি এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি আরো একটি সফল সংযোজন। ২০১১ সালে আইসিডিবি রিজিওনাল অ্যাওয়ার্ড এবং একই বছরে বিশেষ আইসিডিবি (গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড) অর্জন করে এটিএন বাংলা। ২০১১ সালে নতুন নতুন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে এটিএন বাংলা। ২০১১ সালের অন্যতম অনুষ্ঠান “বিগ শো”, বিভিন্ন স্থান থেকে লাইভ শো, স্কুল ফুটবল সহ বিভিন্ন ধরণের খেলা সরাসরি সম্প্রচার এবং বিশেষ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ছিল এর মধ্যে অন্যতম।
প্রতিবছরের মতো ২০১২ সালে বিশেষ দিবসসমুহে এটিএন বাংলা প্রচার করে বিশেষ অনুষ্ঠান। ধারাবাহিক নাটকগুলোতে এসেছে চমকপ্রদ পরিবর্তন। ২ মার্চ থেকে শুরু হয় ১০ জন প্রবাসী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে রিয়েলিটি শো “ফরগটেন রুটস”। নতুনত্বের ছোয়া নিয়ে আসছে একগুচ্ছ নতুন অনুষ্ঠান।
সমাজের দুস্থ ও অবহেলিতদের কথা, ইংল্যান্ড, ইউরোপসহ পুরো বিশ্বের কাছে পৌছে দেবার জন্য ২০১২ সালে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান অর্জন করেন লন্ডনের এশিয়ান ভয়েজ পত্রিকা কর্তৃক সম্মান “এশিয়ান ব্রডকাস্টার অব দ্য ইয়ার-২০১২”।
সম্মান আর অভিজ্ঞতাকে সঙ্গীকরে দর্শকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আর নতুনত্বের ছোয়ায় ভিন্ন স্বাদের বিনোদন উপহার দিতে এটিএন বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। এই যাত্রায় সকল দর্শক থাকবেন এটিএন বাংলার সঙ্গে। এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। |




























Read More...





























