সংবাদ শিরোনাম
Top News
‘মুখ মুখশ্রী এবং রবীন্দ্রনাথ’
রবীন্দ্র জয়ন্তীর বিশেষ অনুষ্ঠান‘মুখ মুখশ্রী এবং র...
‘রবীন্দ্র কাব্যে মঞ্চ ভ্রমন’
রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রবীন...
রবীন্দ্র ও নজরুল জন্ম জয়ন্তীর বিশেষ আয়োজন
রবীন্দ্র ও নজরুল জন্ম জয়ন্তীর বিশেষ আয়োজন বিশ্ব...
কিংবদন্তি অভিনেতা আনোয়ার হোসেনকে লাইফ টাইম এ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান
কিংবদন্তি অভিনেতা আনোয়ার হোসেনকে লাইফ টাইম এ্যাচি...
এএসএফ-মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড
এএসএফ-মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে এটিএন বাংলার...
-
‘মুখ মুখশ্রী এবং রবীন্দ্রনাথ’
-
‘রবীন্দ্র কাব্যে মঞ্চ ভ্রমন’
-
রবীন্দ্র ও নজরুল জন্ম জয়ন্তীর বিশেষ আয়োজন
-
কিংবদন্তি অভিনেতা আনোয়ার হোসেনকে লাইফ টাইম এ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান
-
এএসএফ-মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড
![]() |
রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান
‘রবীন্দ্র কাব্যে মঞ্চ ভ্রমন’

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে এটিএন বাংলায় ৮ মে ২০১৩ রাত ৮টায় প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রবীন্দ্র কাব্যে মঞ্চ ভ্রমন’, রবীন্দ্রনাথের জন্য এবং রবীন্দ্রনাথের লেখা কবিতা ও গানের তালের সঙ্গে এবং নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের গ্রন্থনা এবং তানিয়া আহমেদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই থাকছে আমরা নূতন যৌবনের দূত গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনা এবং রবীন্দ্রনাথের জন্য লেখা পচিশে বৈশাখ কবিতার সমন্বয়। এছাড়া মায়াবন বিহারিনী হরিণী, পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে, আদেখো ঘুমে নয়নো চুমে, আমি চিনিগো চিনি তোমারে, মোট ৫টি গানের সঙ্গে কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা রয়েছে অনুষ্ঠানে।
হৃদয় নন্দিতা হৃদির পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেছেন শখ-সোহেল, নাদিয়া-লিখন, স্বপন-ফারিয়া, আসাদ- জ্যোতি, ওয়ার্দা রিহাব এবং তাদের দল। এছাড়ার আবৃতিতে অংশ নিয়েছেন শিমুল মোস্তফা, কাজী আরিফ ও নায়লা তারান্নুম কাকলী।
রবীন্দ্র জয়ন্তীর বিশেষ অনুষ্ঠান
‘মুখ মুখশ্রী এবং রবীন্দ্রনাথ’
এটিএন বাংলায় রবীন্দ্র জয়ন্তীতে প্রচারিত হবে ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘মুখ মুখশ্রী এবং রবীন্দ্রনাথ’। ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো এ অনুষ্ঠানে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের বাল্মিকি প্রতিভার চিত্রায়নসহ জনপ্রিয় কয়েকটি গল্প ও উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা চরিত্রের চিত্রায়ন। বেশ কজন ফ্যাশন ডিজাইনার তাদের ফ্যাশনের মাধ্যমে এসব চরিত্র চিত্রায়ন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘রক্ত করবী’র নন্দিনী ও রঞ্জন, ‘ঘরে বাইরে’র বিমলা-সন্দীপ, ‘চার অধ্যায়’ এর অতীন-এলা এবং ‘চোখের বালি’র বিনোদিনী-মহীন চরিত্র। এসব চরিত্র উপস্থাপনে ফ্যাশন ডিজাইনার ছিলেন লিপি খন্দকার, খলিলুর রহমান শাহীন, নীলাঞ্জনা ঘোষ, তাহাসীনা শাহীন। চরিত্রগুলোতে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন রুমা, নওশিন, ঝুমুর, রিসিলা, রিপন, ইমরান, শামস্, রাতুল রাজ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে একজন লেখক চরিত্রের সঙ্গে রবী ঠাকুরের স্টাইল ও ফ্যাশন ভাবনা নিয়ে কথপোকথন করেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক অভিনেত্রী, নৃত্য ও সঙ্গীত শিল্পী ইশিতা। লেখক চরিত্রে অভিনয় করেন টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা আতাউর রহমান।

অনুষ্ঠানে গল্প-উপন্যাসের নায়ক-নায়িকার চরিত্র চিত্রায়নের পাশাপাশি থাকছে রবীন্দ্রনাথের বেশ কয়েকটি গানের সঙ্গে ফ্যাশন কিউ, কবিতা আবৃত্তি এবং রতন এর পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশনা। মাহফুজ রিজভীর গবেষণা ও গ্রন্থনা, কাজী কামরুল ইসলাম এর মেকআপ এন্ড হেয়ার এবং কুইন রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ৮ মে ২০১৩ রাত ১১টায় এটিএন বাংলায়।
বিস্তারিত....লাইভ মিউজিক্যাল শো ‘রবি রক & রিদম’

এটিএন বাংলায় প্রতি শনিবার রাত ৮টায় প্রচার হচ্ছে লাইভ মিউজিক্যাল শো ‘রবি রক & রিদম’, ইভা রহমানের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় গতানুগতিক ধারার বাইরে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় রয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার বাপ্পা মজুমদার। গানের ফাঁকে ফাঁকে উপস্থাপক অতিথির সাথে আলাপচারিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত একটি হাউজ ব্যান্ড থাকবে। যারা নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠানের প্রতি পর্বে অংশ নেবেন। ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো এ অনুষ্ঠানে এসএমএস, ই মেইল এবং ফেইস বুক এর মাধ্যমে দর্শকরা অনুষ্ঠানে আগত শিল্পীর কাছে তাদের পছন্দের গানের অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। অনুষ্ঠানে প্রিয় শিল্পীকে গানের অনুরোধ জানাতে এসএমএস পাঠাতে হবে ২০১০ নম্বরে।
‘রবি রক & রিদম’ অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন বিলাস খান।
ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রক্সি পেইন্টস্ চারদেয়ালের কাব্য’

এটিএন বাংলায় পাক্ষিকভাবে রবিবার বিকাল ৪টা ২০মিনিটে প্রচার হচ্ছে ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রক্সি পেইন্টস্ চারদেয়ালের কাব্য’, সেলিম দৌলা খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা শারমিন লাকী। অনুষ্ঠানে থাকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের নানান বিষয় নিয়ে একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও স্থপতির আলাপচারিতা। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনার বিস্তারিত প্রতিবেদনসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণের প্রাপ্তিস্থান, বাজার দর, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং স্কুলের নানান তথ্য।
|
|
|
এটিএন সম্পর্কে কিছু কথাবাংলা নামে যে একটি সমৃদ্ধ ভাষা আছে, এই ভাষায় যে রচিত হতে পারে বিশ্ব মানের সাহিত্য, গল্প, কবিতা, উপন্যাস, এ কথা বিশ্ববাসীকে সর্বপ্রথম জানান দিয়েছিলেন বাঙালীর প্রাণ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপর দীর্ঘ যুগ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাঙালী পেয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়, অভ্যূদয় ঘটেছে বাংলাদেশের। এই বাঙালী, বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা বিশ্বের বুকে সামগ্রীক পরিচয় তুলে ধরেছে এটিএন বাংলা। স্যাটেলাইট এই দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯৫ সালে, নতুন প্রযুক্তি, নতুন ধরণের বিনোদন। এদেশের মানুষ হুমড়ী খেয়ে পড়ে বিদেশী সংস্কৃতির টিভি চ্যানেলগুলোতে। বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল তখনও ছিলো না। চারিদিকে শুধু বিদেশী ভাষা আর সংস্কৃতির দাপট। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন ভিন্ন শিক্ষায় বেড়ে উঠছিল। ১৫ই জুলাই ১৯৯৭, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বলতম দিন। বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলাভাষা সম্প্রচার ঘটলো স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার মাধ্যমে। তীক্ষè দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চিন্তাশীল ভবিষ্যৎ প্রবক্তা ড. মাহফুজুর রহমান মাত্র গুটি কয়েক তরুণকে নিয়ে দিনের পর দিন পরিশ্রম আর অসাধ্য সাধনে নিয়োজিত হলেন। তিনি স্যাটেলাইটে পৌছে দিলেন বাংলা বিনোদন “মোদের গরব মোদের আশা, আ-ম-রি বাংলা ভাষা”, সারা বিশ্বের সকল মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার, দুপুর ১২টা ৩০মিনিট থেকে ৩ ঘন্টাব্যাপী সাপ্তাহিক ইসলামী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। আজ ইসলামী অনুষ্ঠান অধিকাংশ মানুষকে উজ্জীবিত করেছে কোরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে জীবন গড়তে। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ পরিকল্পনা আর যতœ লক্ষ্য করা গেল এটিএন বাংলায়। মে’ ১৯৯৯ পরিবর্তন ঘটলো প্রযুক্তিতে। এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর হলো সম্প্রচার কার্যক্রম। মিলেনিয়াম ২০০০ বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি প্রচার-প্রসারে এক নবদিগন্ত উম্মোচিত করলো এটিএন বাংলা তার ইউরোপ সম্প্রচারের মাধ্যমে। ১৬ই আগষ্ট ২০০১ এটিএন বাংলা শুরু করে সংবাদ প্রচার আর ইংরেজী সংবাদ প্রচার শুরু হয় ১লা অক্টোবর ২০০২। ২০০৩ এর ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় তারুণ্য দীপ্ত ২৪জন টিভি সংবাদ কর্মী যোগদান করেন। একই বছর ইরাক যুদ্ধের উপর বিশেষ বুলেটিন দিয়ে শুরু হয় প্রতি ঘন্টার সংবাদ সম্প্রচার। ফলে এটিএন বাংলার সংবাদ হয়ে উঠে দেশের সেরা খবরের পিঠস্থান। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের স্যাটেলাইটের প্রবক্তা পেলেন আরো যশ আরো খ্যাতি, সম্মান সূচক বিশ্বখ্যাত মাদার তেরেসা, অতীশ দীপঙ্কর পদক, মহাত্মা গান্ধী রিচার্স কাউন্সিল পদক, চাইল্ড ওয়েলফেয়ারসহ বহু পদক প্রাপ্ত হন ড.মাহফুজুর রহমান এবং এটিএন বাংলা। এবছরই দেশের সেরা চ্যানেল হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের স্থান করে নেয় “মিট দ্য প্রেস” এবং লিড নিউজ “ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম” জরিপে। ২০০৭ সালে এটিএন বাংলা শুরু করলো বাংলাদেশের আরেক ইতিহাস,“বি-লিগ ফুটবল খেলা, যা বাংলাদেশে প্রথম পেশাদার ফুটবল লিগ” তার সরাসির সম্প্রচার ঢাকা ষ্টেডিয়াম থেকে। ২০০৯ সালে এটিএন বাংলা সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে বি.ডি.আর ট্র্যাজেডির রিপোর্ট গুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আকারে দেশবাসির কাছে তুলে ধরে। এছাড়া একই বছর বাংলাদেশের কোন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল হিসেবে সুদুর চট্রগ্রাম থেকে পৃথিবীর ২য় অফিসিয়াল টি-২০ ক্রিকেট গ্র্যান্ড ওপেনিংসহ সেমিফাইল ও ফাইনাল খেলা সরাসরি সম্প্রচার করে। এছাড়া বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে বৈশাখী মেলা ৪ঘন্টাব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার এটিএন বাংলার উল্লেখযোগ্য দিক। এটিএন বাংলার সংবাদে যদি ফিরে তাকাই, দেখি মগবাজারে রেল ট্র্যাজিডি! কিভাবে এটি একটি ইমাজিন ভিডিও হিসেবে দর্শকদের সামনে ধড়া পড়েছে। এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান বিভাগ চলছে একইভাবে সমান তালে। ২০০৯ সালে মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র জয় করে নিয়েছে সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক বজলুর রহমার স্মৃতি পদক “মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব বিবেক, মুক্তিযুদ্ধ ও ১৪ই ডিসেম্বর, বধ্য ভূমি ৭১” শিরোনামে অুনষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে। এবছরই ড. মাহফুজুর রহমান বাঙ্গালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে নিয়ে নির্মাণ করলেন সঠিক ও সত্য নির্ভর তথ্য চিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’। এটা যেন বাঙালীর চির আকাংখার এক প্রতিফলন। এর পাশাপাশি দেশী-বিদেশী শিল্পীদের অংশগ্রহণে চলে একাধিক কনসার্ট, অনুষ্ঠান। প্রচার হয় একাধিক ট্যালেন্ট হান্ট স্কুল ভিত্তিক টাটকা ন্যাশনাল ডান্স ষ্টার, শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা, চাষী তারকা, এসিআই পিওর চ্যাম্পিয়ন কুক এরমধ্যে অন্যতম। এবছরই এটিএন বাংলার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ এসেছিলেন বিশ্ব বরেণ্য সঙ্গীত ও গজল শিল্পী পঙ্কজ উদাস, শানসহ আরো অনেকে। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এর আয়োজনে ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ১১তম এস.এ গেমস্। এটিএন বাংলা এস এ গেমস এর ক্রিকেট ম্যাচ রাজশাহী ও ঢাকার শের-ই বাংলা জাতীয় ষ্টেডিয়াম থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে। এছাড়া খুলনা থেকে সাইক্লিং এবং সিলেট থেকে উষূ ধারণ করে প্রতিদিন প্রচার করে। এর আগে পিসিএল সফলভাবে শেষ করার পর সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তী টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে সুদূর শারজাহ থেকে। এটিএন বাংলা ব্রডকাষ্ট পার্টনার হিসেবে সুদুর শারজাহ থেকে টুর্ণামেন্টের ১৫টি খেলা নিজস্ব কারিগরি ব্যবস্থাপনায় সরাসরি সম্প্রচার করে যা দর্শকদের মাঝে খুবই সাড়া ফেলে। একই সাথে প্রশংসিত হয় এটিএন বাংলা। বাংলাদেশের প্রথম প্রফেশনাল টি২০ ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের আরো ১৫টি ম্যাচ মিরপুর ষ্টেডিয়াম থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন বাংলা। এছাড়া ৪০ওভারের প্রমিলা ক্রিকেট লিগ, ত্রিদেশীয় ক্রিকেট লীগ এবং লংগার ভার্সন ক্রিকেট সরাসরি সম্প্রচারের অভিজ্ঞতা অর্জন করে ২০১০ সালে। ২০১১ এবং ২০১২ সালেও বেশ কিছু খেলা সারাসরি সম্প্রচার করে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম থেকে। আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং ম্যাচ, বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট সিরিজ দর্শকাদের নজর কাড়ে। শুধুৃ ক্রিকেট নয়, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্ট, জাতীয় স্কুল ফুটবল টুর্ণামেন্ট, জাতীয় ফুটবল লীগ, হকি লীগ, মহিলা ও পুরুষ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন সহ বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের অধিকাংশ খেলাই এটিএন বাংলা সরাসরি সম্প্রচার করে আসছে। সম্মান আর অভিজ্ঞতাকে সঙ্গীকরে নতুন অনুষ্ঠানের সমন্ব্যয়ে আর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে এটিএন বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। এই যাত্রায় দর্শক পাবেন নতুনত্বের ছোয়া এবং নিয়মিত খেলাধুলা তো থাকবেই আপনাদের জন্য। এসব খেলা, সংবাদ আর বিনোদনের ছোয়া পেতে সকল শ্রেনীর দর্শক থাকবেন এটিএন বাংলার সাথে। এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। |



























